২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

২০১৮ সালে ২ কোটি ৯০ লাখ শিশুর জন্ম সংঘাতময় এলাকায় : ইউনিসেফ

বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোয় গত বছর জন্মগ্রহণ করে ২ কোটি ৯০ লাখ শিশু। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিসেফ বলছে, গত তিন দশকের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দেশ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতে জড়িত। এর ফলে লাখো শিশুর নিরাপত্তা ও কল্যাণ হুমকিতে পড়েছে।

এবার যুগান্তকারী শিশু অধিকার সনদের ৩০তম বার্ষিকী। সংঘাতে আক্রান্ত শিশুদে সুরক্ষা ও সেবার জন্য সব দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান রয়েছে ওই সনদে।

সংস্থাটি জানায়, ২০১৮-এর পুরো বছর সারা বিশ্বে প্রতি ৫ শিশুর মধ্যে একজনের বেশি তাদের জীবনের প্রথম মুহূর্তগুলো সংঘাতের বিশৃঙ্খলায় আক্রান্ত সমাজে কাটায়।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলছিলেন, ‘প্রতিটি বাবা-মায়ের তাদের শিশুদের প্রথম মুহূর্তগুলো মমতায় লালন করতে পারা উচিত। কিন্তু সংঘাতের মাঝে বাস করা লাখো পরিবারের জন্য বাস্তবতা অনেক বিবর্ণ।

তিনি বলেন, বিশ্বের নানা দেশে সহিংস সংঘাত বাবা-মা ও তাদের শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার সুযোগ মারাত্মকভাবে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে।

‘লাখো পরিবারের পুষ্টিকর খাবার, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার বা বেড়ে ওঠা ও বন্ধনের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশের সুযোগ নেই। আসন্ন ও সুস্পষ্ট বিপদের পাশাপাশি জীবনের এমন শুরুর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব হয় সম্ভাব্য বিপর্যয়কর,’- যোগ করেন হেনরিয়েটা ফোর।

ফোর আরও বলেন, বাবা-মায়েরা সংঘাতের নেতিবাচক স্নায়ুবিক প্রভাব থেকে সন্তানদের রক্ষা করতে পারলেও তারা নিজেরাই সংঘাতের সময় প্রায়ই শোকে বিহ্বল হয়ে পড়ে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।