মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

২০১৮ সালে ২ কোটি ৯০ লাখ শিশুর জন্ম সংঘাতময় এলাকায় : ইউনিসেফ

শেয়ার করুন

বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোয় গত বছর জন্মগ্রহণ করে ২ কোটি ৯০ লাখ শিশু। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিসেফ বলছে, গত তিন দশকের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দেশ অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতে জড়িত। এর ফলে লাখো শিশুর নিরাপত্তা ও কল্যাণ হুমকিতে পড়েছে।

এবার যুগান্তকারী শিশু অধিকার সনদের ৩০তম বার্ষিকী। সংঘাতে আক্রান্ত শিশুদে সুরক্ষা ও সেবার জন্য সব দেশের সরকারের প্রতি আহ্বান রয়েছে ওই সনদে।

সংস্থাটি জানায়, ২০১৮-এর পুরো বছর সারা বিশ্বে প্রতি ৫ শিশুর মধ্যে একজনের বেশি তাদের জীবনের প্রথম মুহূর্তগুলো সংঘাতের বিশৃঙ্খলায় আক্রান্ত সমাজে কাটায়।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলছিলেন, ‘প্রতিটি বাবা-মায়ের তাদের শিশুদের প্রথম মুহূর্তগুলো মমতায় লালন করতে পারা উচিত। কিন্তু সংঘাতের মাঝে বাস করা লাখো পরিবারের জন্য বাস্তবতা অনেক বিবর্ণ।

তিনি বলেন, বিশ্বের নানা দেশে সহিংস সংঘাত বাবা-মা ও তাদের শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার সুযোগ মারাত্মকভাবে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে।

‘লাখো পরিবারের পুষ্টিকর খাবার, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার বা বেড়ে ওঠা ও বন্ধনের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশের সুযোগ নেই। আসন্ন ও সুস্পষ্ট বিপদের পাশাপাশি জীবনের এমন শুরুর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব হয় সম্ভাব্য বিপর্যয়কর,’- যোগ করেন হেনরিয়েটা ফোর।

ফোর আরও বলেন, বাবা-মায়েরা সংঘাতের নেতিবাচক স্নায়ুবিক প্রভাব থেকে সন্তানদের রক্ষা করতে পারলেও তারা নিজেরাই সংঘাতের সময় প্রায়ই শোকে বিহ্বল হয়ে পড়ে।

শেয়ার করুন