১ জুন, ২০২৩ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ | ১১ জিলকদ, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার জেলা নেজামে ইসলাম পার্টির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত   ●  দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কক্সবাজার পৌর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১৩ নেতা বহিস্কার   ●  উখিয়ায় জমি দখলে নিতে খুনের হুমকির অভিযোগ   ●  বিদগ্ধজনদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য থেকে প্রতিপক্ষকে বিরত থাকার আহবান মেয়র প্রার্থী মাহাবুবের   ●  কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন   ●  কক্সবাজারে ওয়ার্ল্ডফিশ এর সিনার্জিস্টিক পার্টনারশীপ কর্মশালা   ●  সাগরে ইঞ্জিল বিকল হয়ে ১৩ দিন ভাসতে থাকা ২১ জেলে জীবিত উদ্ধার   ●  চকরিয়া ও টেকনাফে শীঘ্রই চালু হচ্ছে কউকের জোনাল অফিস   ●  মরিচ্যায় ভয়ংকর অপহরণকারী সিন্ডিকেট শীর্ষক সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ   ●  পেশীশক্তির প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে নৌকা বিজয় ঠেকানোর চেষ্টা বোকামী : মেয়র প্রার্থী মাহাবুব

সাগরে পুলিশের সাথে জলদস্যুর বন্দুকযুদ্ধ এক পুলিশ আহত, অস্ত্রসহ জলদস্যু গ্রেফতার

Cox's  gun fight news-
বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার চকরিয়ার বদরখালী পয়েন্টে পুলিশের সাথে জলদস্যু বাহিনীর ঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইটি লম্বা বন্দুক, একটি এলজি, ৪৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৬ রাউন্ড ফুটানো কার্তুজ, ৪টি কার্তুজের বেল্টসহ শহীদুর রহমান (৩২) নামের এক জলদস্যুকে আটক করে। আটককৃত শহীদুর রহমান ওই এলাকার মোঃ নুরুন্নবীর ছেলে বলে জানায় পুলিশ। ২০ মে বিকেলে কক্সবাজারের ডিবি পুলিশের একটি ইউনিট এ অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন যাবত বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে কয়েকটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সশস্ত্র জলদস্যুরা সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ফিশিং ট্রলারে হানা দিয়ে আসছে। পাশাপাশি মাঝিমাল্লাদের খুন ও তাদের সর্বস্ব লুটের ঘটনা ঘটনাও ঘটনাচ্ছে। প্রতি দিনের ন্যায় ২০ মে বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়ার বদরখালী পয়েন্টে ৭/৮ জনের সংঘবদ্ধ একটি জলদস্যু বাহিনির গোপন বৈঠকের সংবাদ পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়ার বদরখালী কোদালিয়াঘোনার খালের পাড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যুরা অর্তকিত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষন করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষে ৩৫ রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। পরে ৭/৮ জন জলদস্যু অস্ত্রসহ পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থলে আটক হয় জলদস্যু শহীদ। এ ব্যাপারে ডিবি পুলিশের ওসি দেওয়ান আবুল হোসেন, ও সেকেন্ড অফিসার ইমন কান্তি চৌধুরী জানান, সাগরকে নিরাপদ রাখার জন্য এবং সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া মাঝিমাল্লাদের জীবনের নিরাপত্তার সার্থে জলদস্যু বিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।