মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

সাংবাদিক জালালের পুত্র তন্ময় উদ্ধার

শেয়ার করুন

Cox Nikhoj-Tonmoy pic
বাংলাদেশ প্রতিদিনের কক্সবাজার প্রতিনিধি সায়েদ জালাল উদ্দিনের নিখোঁজ পুত্র সায়েদ তাইছির আবরার তন্ময়কে উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া চুনতি এলাকার তন্ময়ের নানার বাড়ি থেকে লোহাগাড়া থানা পুলিশের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
তন্ময় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ও ক্লাস ক্যাপ্টেন। সে গত ৩০ মার্চ সকালে নিখোঁজ হয়। এ ব্যাপারে গত ৯ এপ্রিল কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ডায়েরী (ডায়েরী নং ৫৪৮) করেন সাংবাদিক জালাল। এ দিকে নিখোঁজ ডায়েরী হাতে পাওয়ার পর থেকেই তন্ময় উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। শুক্রবার পুলিশ নিশ্চিত হয় তন্ময় তার নানার বাড়ি চুনতিতে রয়েছে। অবশেষে সেখান থেকে তন্ময়কে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকারী সদর থানার এসআই জামাল হোসেন জানান, সাংবাদিক জালাল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। এছাড়া সরকারের উর্ধতন মহলেও অভিযোগ করেন। নিখোঁজ তন্ময়ের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে নানার বাড়ী থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সাথে তার মাকেও থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে সায়েদ জালাল বলেন, ‘তন্ময়কে ৩০ মার্চ থেকে না পাওয়ায় নানার বাড়ীসহ অনেক জায়গায় খোঁজাখুজি করি। নানার বাড়ীর কাছের-দূরের অনেক আতœীয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। এমনকি তারাও আমার সাথে তন্ময়কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছে। শেষ পর্যন্ত না পেয়ে ৯ এপ্রিল থানায় ডায়েরী করি।’ তিনি বলেন, ‘তন্ময় উদ্ধারে প্রশাসন তৎপর হওয়ার খবরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যারা আমার ছেলেকে লুকিয়ে রেখে পুরো পরিবারে যন্ত্রণা তৈরী করেছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি।’
এ দিকে প্রশাসনিক তৎপরতায় নিখোঁজের ১৮ দিন পরে ছেলেকে ফিরে পেয়ে পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জানান সাংবাদিক জালাল।

শেয়ার করুন