২০ এপ্রিল, ২০২৪ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩১ | ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুলের বরণ ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী মনতোষের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   ●  জলকেলি উৎসবের বিভিন্ন প্যান্ডেল পরিদর্শনে মেয়র মাহাবুব   ●  উখিয়া সার্কেল অফিস পরিদর্শন করলেন ডিআইজি নুরেআলম মিনা   ●  ‘বনকর্মীদের শোকের মাঝেও স্বস্তি, হত্যার ‘পরিকল্পনাকারি কামালসহ গ্রেপ্তার আরও ২   ●  উখিয়া নাগরিক পরিষদ এর ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে

সমাজে বিশৃঙ্খলা-অশান্তি সৃষ্টি হয় এমন বয়ান থেকে আলেম-ওলেমাদের বিরত থাকতে হবে’-এমপি জাফর

বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ মসজিদের ইমাম, আলেম-ওলেমাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন- বর্তমানে প্রতিটি এলাকায় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল হয়। আগেকার চেয়ে বর্তমান সরকারের আমলেই ধর্মীয় এসব অনুষ্ঠানের পরিধি বেড়েছে। কিন্তু একটা বিষয় সবসময় লক্ষ করি, ওয়াজ মাহফিলে ধর্মীয় বিষয়ে তেমন বয়ান করা হয় না। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওয়াজ মাহফিলকে দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক ভূরাজনীতির বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার মঞ্চ বানিয়ে ফেলা হয়। যা কোনভাবেই আলেম-ওলেমার কাজ হতে পারে না।
এমপি জাফর আলম প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন চকরিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুকপুকুরিয়া রাজধানী পাড়ার বায়তুন নূর জামে মসজিদের বার্ষিক সভা ও ইছালে ছাওয়াব মাহফিলে। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মসজিদটির বার্ষিক সভা ও ইছালে ছাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি জাফর আলম বলেন, বাংলাদেশে কোন নেতা কোন রাজনৈতিক দল করেন বা কোন রাজনৈতিক দল কেমন এসব বিষয়ে বয়ান না করে ছহিহ্ ধর্ম নিয়ে আলোচনা করাই হচ্ছে ওয়াজ মাহফিল বা ধর্মীয় যে কোন অনুষ্ঠানের একমাত্র উদ্দেশ্য।

তিনি আরো বলেন, কি কাজ করলে জান্নাতবাসী হবেন, কি করলে মানুষ গুনাহ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন, সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন থাকবে সেসব বিষয়ে ওয়াজ মাহফিলে আলোচনা করতে পারেন আলেম-ওলেমারা। এসব না করে যদি বিভক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় তাহলে সমাজে অশান্তি চলে আসে। তাই সমাজে বিশৃঙ্খলা, অশান্তি সৃষ্টি হয়, এই ধরণের বক্তব্য থেকে বিরত থেকে সমাজে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হয় এমন বয়ান দেওয়ার জন্য সম্মানিত আলেম-ওলেমাদের উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি আমি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।