১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১৮ মাঘ, ১৪২৯ | ৯ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ   ●  সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর

লবন-মৎস্য সমৃদ্ধ চৌফলদন্ডী-পোকখালী হতে পারে সম্ভাবনাময় শিল্পাঞ্চল

Untitled-1.psd
কক্সবাজার সদরের উপকূলীয় ইউনিয়ন পোকখালী-চৌফলদন্ডীতে শিল্পায়নের সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। সেতু নির্মান ও ব্যাপক অবকাঠামোত উন্নয়নের ফলে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ নেটওর্য়কের সাথে এতদাঞ্চল সংযুক্ত হওয়ায় উৎপাদনমুলক শিল্পকারখানা স্থাপনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়  লোকজনের মতে, এক সময়ের অবহেলিত দুর্গম উপকুলীয় এলাকা পোকখালী ও চৌফলদন্ডী এলাকা লবন-চিংড়ি ও মৎস্য উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ। মহেশখালী চ্যানেলের পুর্বতীর ঘেষে হাজার হাজার একর জমিতে শুষ্ক মৌসমে লবন ও বর্ষামৌসুমে বাগদা চিংড়িসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ  উৎপাদিত হয়ে আসছে। এসব পন্য প্রতি বছর জাতীয় অর্থনীতিতে উল্ল্যেখযোগ্য পরিমান রাজস্বের যোগান দিচ্ছে। এতদিন অবহেলিত থাকলেও বিগত এক দশকে উক্ত দুই ইউনিয়নকে বেষ্টন করে নির্মিত হয়েছে নাপিত খালী-পোকখালী – চৌফলদন্ডী-খরুস্কুল-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক। চৌফলদন্ডী খালের উপর নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ। উপরোক্ত মহাসড়ক ও ব্রীজ এ এলাকাকে সংযোক্ত করেছে আন্তঃ জেলা সড়ক যোগাযোগ নেটওয়াকের সাথে। ফলে উৎপাদিত পন্য পরিবহনে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। চৌফলদন্ডী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে অঘোষিত মৎস্য অবতরন কেন্দ্র যা স্থানীয়ভাবে ‘ঘাটঘর নামে’ পরিচিত। বঙ্গোপসাগর থেকে আহরিত রকমারি প্রজাতির মাছ নিয়ে ফিশিং বোট সমূহ এখানে ভীড়ে। রপ্তানিযোগ্য সুস্বাদু এসব মাছ রপ্তানির জন্য এখানে মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরন কারখানা স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছর চৌফলদন্ডীতে উৎপাদিত হচ্ছে বিপুল পরিমান শুঁটকি। সংলগ্ন ভারুয়াখালী, খুরুস্কুল ইউনিয়নসহ পোকখালী ও চৌফলদন্ডীর উপকুলীয় এলাকায় উৎপাদিত বিপুল পরিমান অপরিশোধিত লবন প্রক্রিয়াজাত করনের জন্য লবন কারখানা স্থাপন করলে ইসলামপুরের মত এখানেও গড়ে উঠবে সয়ংসম্পুর্ন লবন শিল্প এলাকা। সচেতন মহলের মতে, চৌফলদন্ডী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় পানির গভীরতা বেশী, যা লবনবাহী কার্গোবোট ভেড়ার জন্য উপযোগী। এছাড়া চৌফলদন্ডীর ঐতিহ্যবাহী ‘‘নাপ্পি’’ ও শুটকির কদর রয়েছে দেশ-বিদেশের ভোজন রসিকদের কাছে। এসব পন্য রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরনের জন্য চৌফলদন্ডী ব্রীজ পয়েন্ট থেকে উত্তর দিকে গোমাতলী ও পুর্ব দিকে ভারুয়াখালী পয্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটারব্যাপী নদীতীরে বিভিন্ন শিল্পকারখানা স্থাপিত হলে উৎপাদিত পন্য সহজেই পরিবহন করা যাবে সারাদেশে। এতদাঞ্চলে শিল্পায়ন হলে দেশীয় অর্থনীতিতে মুল্যবান রাজস্বের যোগানসহ বিপুল জনশক্তির কর্মসংস্থানের সম্ভবনা রয়েছে। লবন-মৎস্য সমৃদ্ধ চৌফলদন্ডী ও পোকখালী হতে পারে সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চল।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।