২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১৯ মাঘ, ১৪২৯ | ১০ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানোন্নয়নে কক্সবাজার পৌর এলাকায় চলছে দরিদ্রবান্ধব নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কাজ   ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ

রামুতে বেড়িবাঁধের অভাবে অনাবাদি ১ হাজার একর জমি

ramu pic dam 09.03 (2).psd
রামুতে বেড়িবাঁধ না থাকায় দুটি ইউনিয়নের প্রায় ১ হাজার একর কৃষি জমিতে চাষাবাদ স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছে হাজারো কৃষক পরিবার। জানা যায়, রামু উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চল রশিদনগর এবং জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের প্রায় ১ হাজার একর কৃষিজমি শুস্ক মৌসুমে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে। অনেক পুরনো কয়েকটি বেড়িবাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ না নেয়া এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে ওই এলাকাগুলোতে বেড়িবাঁধ নির্মিত হলে উপকৃত হবে হাজারো কৃষক। এদিকে অতি জনগুরুত্বপূর্ণ এ সমস্যা জানার পর গত শনিবার (৭মার্চ) বিএডিসি ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প কক্সবাজার জোনের সহকারি প্রকৌশলী ডালিম কুমার মজুমদারকে সাথে নিয়ে জোয়ারে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যান, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম।
পরিদর্শনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান উপস্থিত স্থানীয় জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষিবান্ধব। রশিদনগর ও জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের অনাবাদি জমিগুলোকে চাষাবাদের আওতায় আনতে শিঘ্রই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।
এ সময় রামু উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নীতিশ বড়–য়া, বিএডিসি কক্সবাজার জোনের গুদাম রক্ষক ও মাঠ পর্যবেক্ষক অমুল্য বড়–য়া, রশিদ নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বজল আহমদ বাবুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে রশিদনগর ইউনিয়নের কাহাতিয়াপাড়ার বাসিন্দা শহর আলম ও মোঃ শহীদুল হক জানান, ধলিরছড়া খালের জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় প্রতি শুষ্ক মৌসুমে ওই এলাকার প্রায় চারশত একর জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। খালের পাড়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে অনাবাদি জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় আসবে। উল্টাখালী এলাকার বাসিন্দা কৃষক মানিক জানান, অনেক বছর আগে এ খালের পাড়ে বেড়িবাঁধ নিমার্ণ হলেও ওই বেড়িবাঁধ এখন স্মৃতিকথা। বেড়িবাঁধটির কিছু কিছু অংশ দেখা গেলেও অনেকাংশ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় উল্টাখালী এলাকার প্রায় তিন শতাধিক একর কৃষিজমি অনাবাদি থেকে যায়। অতছ বেড়িবাঁধটি পুনঃনির্মিত হলে এজমি গুলো চাষাবাদের আওতায় আসবে। অপরদিকে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের আসকরখিল ও নোনাছড়ি এলাকায় প্রতি নিয়তই প্রবেশ করছে জোয়ারের পানি। এনদীতে কষ্মিনকালেও বেড়িবাঁধ নির্মিত হয়নি। সামান্য দুই থেকে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁেধর অভাবে প্রতি বছরই অনাবাদি থেকে যায় এলাকার প্রায় সাড়ে তিনশত একর জমি। জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদ বক্ত বাবুল ও সাবেক এমইউপি আব্দুল মালেক আসকরখিল ও নুনাছড়ি এলাকায় বেড়িবাঁধের জোর দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে বিএডিসি ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প কক্সবাজার জোনের সহকারি প্রকৌশলী ডালিম কুমার মজুমদার বলেন, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা ওই এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। স্থানীয় সাংসদের পরামর্শক্রমে ওই এলাকার নদীর পাড়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।