১২ এপ্রিল, ২০২৪ | ২৯ চৈত্র, ১৪৩০ | ২ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে   ●  ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার,ক্র্যাকের সভাপতি জসিম, সম্পাদক নিহাদ   ●  নতুন জামাতে রঙিন ১০০ শিশুর মুখ   ●  মহেশখালী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার পাশা চৌধুরীর মৃত্যুতে জেলা আ’লীগের শোক   ●  পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে যৌথ অভিযান   ●  নিরাপদ পেকুয়া গড়তে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এক হতে হবে, ড. সজীব

মোরশেদ হত্যার ঘটনায় ‘ কথিত পাওয়ার আলীর’ দুই ভাইসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে নৃশংস ভাবে মোরশেদ হত্যার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতর ভাই জাহেদ আলী বাদী হয়ে করা মামলায় প্রত্যক্ষ আসামী করা হয়েছে ২৬ জনকে। অজ্ঞাত আসামী হয়েছেন আরো ৮/১০ জন।
শনিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এমামলা রুজু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস।
অভিযুক্তরা হলেন, পিএমখালীর মাইজপাড়ার কবির আহমদের ছেলে আব্দুল মালেক (৪৫) ও কলিম উল্লাহ (৩২), মনির আহমদের ছেলে মো. আলি প্রকাশ মোহাম্মদ (৪৫), মাহামুদুল হক (৫২), হাবিব উল্লাহর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), কাঠালিয়া মোরা ঘোনার পাড়া এলাকার শফিউল আলমের ছেলে মতিউল ইসলাম (৩৪) প্রকাশ ভুয়া সাংবাদিক শফিউল আলমের ছেলে তাহেরুল ইসলাম (৪৬), ফজল আহমেদের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং এমইউপি আরিফ উল্লাহ (৩৫), মৃত মনির আহমদের ছেলে ছৈয়দুল হক (৪০), হামিদুল হক (৪০), তুতুকখালী সিকদার পাড়া এলাকার মোক্তার আহমদের ছেলে এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তাফা আলাল, বদিউজ্জামান সিকদারের ছেলে মো. আক্কাস (৪০), মো. আলীর ছেলে মো. শাহীন (২৫), বাংলাবাজার এলাকার ছৈয়দ আহমদের ছেলে জয়নাল আবেদিন (৪৮), গোলার পাড়ার মো. ইলিয়াসের ছেলে এবং কক্সবাজারের আলোচিত কথিত পাওয়ার আলীর ভাই মাহামুদুল করিম (৪০), দিদারুল আলম (৩০), বশির আহমদের ছেলে ওমর ফারুক (৩০), মাইজপাড়ার মৃত ফোরকান আহমদের ছেলে খোরশেদ আলম (৩০), মাহামুদুল হকের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩০), মাহমুদুল হকের ছেলে আব্দুল আজিজ (২৮), আব্দুল হাই (২৩), মোহাম্মদের ছেলে মো. ইয়াছিন (১৮), শফিউল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪৫), মনির আহমদের ছেলে ওসমান (৩৫), নুরুল হকের ছেলে জাহেদুল ইসলাম (১৯), কাঠালিয়া মোড়া শফিউল আলমের ছেলে আজহারুল ইসলাম (৩২)সহ অজ্ঞাত আরও ৮/১০জন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) আছর নামাজের সময় মায়ের জন্য ইফতার অনুষঙ্গ কিনতে চেরাংঘর বাজারে আসেন প্রয়াত শিক্ষক ওমর আলীর ছেলে মোরশেদ আলী। সেখানে আগে থেকে উৎপেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় পৈশাচিকত চালায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর রাত ৮টার দিকে আইসিইউতে তার মৃত্যু ঘটে। সৌদি প্রবাসী মোরশেদ বেড়াতে দেশে এসেছিলেন। তিনি এলাকায় ‘অন্যায়ের প্রতিবাদকারী’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দেশে ঘুরতে আসলে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বলীখেলায় শখের বসে অংশগ্রহণ করতেন বলে তাকে মোরশেদ বলী নামে ডাকতো। তাকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তাৎক্ষনিক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ৩ জনকে আটক করে। আটকদের মধ্যে একজন এজাহার নামীয় আসামীও রয়েছে। বাকী দুজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।