১৭ জুন, ২০২৪ | ৩ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১০ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি   ●  সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান   ●  ডা.আবু বকর ছিদ্দিক এর চতুর্থ  মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার    ●  কক্সবাজারে আইএসইসি প্রকল্পের অধীনে যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ    ●  কক্সবাজারে শ্রেষ্ঠ সার্কেল রাসেল, ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি 

মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয় জামায়াতের নীলনকশায়- এমপি জাফর

বার্তা পরিবেশক:

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম এমএ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানী পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে স্বদেশকে মুক্ত করতে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় হতে যাচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় মেতে উঠে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনীর সদস্যরা। ধর্মের দোহাই দিয়ে এদেশীয় দালালেরা ১৪ ডিসেম্বর এই হত্যাযজ্ঞে চালায়। তারা বুঝে গিয়েছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও যাতে ভবিষ্যতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য এই বুদ্ধিজীবী হত্যায় মেতে উঠেছিল জামায়াতিরা। আর ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। তাদের গাড়িতে তুলে দেন জাতীয় পতাকা। জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়াও যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়ে জাতির সাথে তামাশা করেন।

এমপি জাফর আলম আরো বলেন, ‘পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত জেনেই একাত্তরের ঘাতক জামায়াতে ইসলামীর সুক্ষè নীলনকশায় আলবদরসহ অন্যান্য বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের এই হত্যাকাণ্ড চালায়। যাতে বিজয়ের পর দেশকে পুনর্গঠন কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যায় নেপথ্য নায়কদের বিচার এবং পাকিস্তানী মতাদর্শদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে।

এমপি জাফর আলম বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবার সদস্য, জাতীয় চার নেতা, শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এমপি জাফর আলম। আলোচনা সভায় যোগদানের আগে এমপি জাফর আলম পুষ্পস্তবক দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ানের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের সাঙ্গু হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রাহাত উজ-জামান, চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছাসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। এতে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ।

এমপি জাফর আলম স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন- যারা যে কোন কিছুতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্তের মাধ্যমে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে তাদেরকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কক্সবাজারের জনসভায় একজন মানুষ মারা গেছে বলে অনেকে গুজব ছড়িয়েছে। পরক্ষণে জানলাম- ওই জনসভায় কোন মানুষ হতাহত হয়নি। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে মানুষের মাঝে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দিতেই পরিকল্পিতভাবে এই গুজব ছড়ানো হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাই গুজব যারা ছড়ায় তারা যাতে উপজেলা প্রশাসনের দপ্তরে, থানায় ঢুকতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন এমপি জাফর আলম।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।