১৮ জুলাই, ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৬


শিরোনাম
  ●  কলেজছাত্র মুরাদ হত্যা মামলার আসামি রহিম কারাগারে   ●  আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির প্রতিবাদে কক্সবাজার ছাত্রলীগের সমাবেশ   ●  স্বেচ্ছাসেবী কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান    ●  চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত হলেন রোবায়েত   ●  সেন্টমার্টিনে ২ বিজিপি সদস্যসহ ৩৩ রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার   ●  উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২   ●  উখিয়ায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি; কাঁচা ঘরবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক লন্ডভন্ড   ●  উখিয়ায় কৃষি বিভাগের প্রণোদনা পেলেন ১৮০০ কৃষক /কৃষাণী   ●  আরসার জোন ও কিলিংগ্রুপ কমান্ডার আটক ৩   ●  পটিয়া প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত

মাদকে নির্মলের ভাগ্য বদল, দুদকের মামলা

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার দক্ষিণ হ্নীলা বাজার পাড়ার মৃত ফকির চন্দ্র ধরের পুত্র নির্মল ধর (৬৬)।  এলাকায় তার নিজ ভিটে বাড়ি হলেও তিনি বসবাস করছেন কক্সবাজার সদর এলাকায় একটি ছয়তলা বাড়িতে। দীর্ঘদিন সময় ধরে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বানিয়েছেন কোটি টাকার সম্পদ।

অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার জ্ঞাত বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় নির্মল ধরের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছে।

বুধবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কক্সবাজারের উপ সহকারী পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত নির্মল ধর বর্তমানে কক্সবাজার সদর থানার ঘোনারপাড়ায় এলাকায় বসবাস করছেন।

দুদকের মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালে প্রাপ্ত অনুসন্ধানে ভিত্তিতে আসামি নির্মল ধরের (৬৬) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করে দুদক কমিশন। পরে এ আদেশটি আসামীকে বর্ণিত ঠিকানায় না পেয়ে বিনা জারিতে ফেরত আসে দুদক অফিসে।

২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আসামি নির্মল ধরের প্রতি সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাড়ির পাশে ঝুলিয়ে দেয় দুদক। পরবর্তীতে ওই আদেশের প্রক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবরে তিনি সম্পদ বিবরণী ফরমপূরন করে দাখিল করে দুদকে। তিনি তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে শুধুমাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেয় নির্মল ধর। সেখানে অনুসন্ধানে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ১ কোটি ৩২ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন করে ভোগ দখল থাকার সত্যতা পেয়েছে দুদক।

এ ঘটনায় আসামি নির্মল ধরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।