২২ জুন, ২০২৪ | ৮ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৫ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ব্যাচ ২০১৯-এর ঈদ পূণর্মিলন অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  পাহাড় ধ্বসঃ ৮ রোহিঙ্গাসহ নিহত ১০   ●  উখিয়ার ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধ্বসে ৭ রোহিঙ্গা সহ নিহত ৯   ●  রামুতে ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা   ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি

বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে যৌথ বাহিনীর অভিযান শিগগিরই

bandarban Pic
পার্বত্য জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতাদের লেলিয়ে দেয়া চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের অবাধ ও প্রকাশ্যে তৎপরতায় বান্দরবান জেলার পাহাড়ি ও বাংগালি সম্প্রদায়ের সর্বস্তরের মানুষই অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। জেলায় সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে,জমি বিকিকিনি, কৃষিপণ্য ও গবাদি পশু বিক্রির ক্ষেত্রে মূূল মূল্য বা দামের ১০ শতাংশ চাঁদা আদায় করছে জনসংহতি সমিতির পক্ষে এক শ্রেণির অস্ত্রধারী যুবকরা। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কাজে জড়িতদের বেশির ভাগই অন্য জেলার লোক এবং একটি বিশেষ পাহাড়ি জনগোষ্ঠী বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার সকালে বান্দরবান সেনানিবাসের শাপলা চত্বরে সেনাবাহিনী আয়োজিত জেলায় আইন শৃংখলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বেপরোয়া চাঁবাজিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সেনা জোন কমান্ডারের উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিশেষ করে বান্দরবান সদর ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাস ও চাঁদবাজি বন্ধের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানায়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলার সাধারণ মানুষের পীঠ দেয়ালে ঠেকেগেছে, জনসংহতি সমিতি নামধারী সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা দমনে সন্ত্রাসীদের হাতে নানাভাবে নিযাতিত মানুষ(পাহাড়ি-বাংগালি) কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবেন। ওই সময় প্রশাসনসহ সরকারি বাহিনীই দায়ী থাকবেন যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনার জন্যে।
প্রতিউত্তরে সেনা জোনকমান্ডার লে.কর্ণেল মো.নাজমুল হক পিএসসি বলেন,সচেতন নাগরিকদের সহায়তায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা নির্মুলে বিশেষ কার্যক্রম শুরু করা হবে। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ যেই হোক না কেন, তাদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং নাগরিকদের জননিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ যে কোন কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণেও বাধ্য হবেন বলে তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত জেলা শহরের জনপ্রতিনিধি,ব্যবসায়ী নেতা,সমাজ নেতা,পরিবহণ মালিক সমতির নেতা,ইউপি চেয়ারম্যান এবং মিডিয়াকর্মীরা চলমমান বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। সভায় পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রভাবশালী সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মজিবর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম আবদুল কুদ্দুছ,পৌর মেয়ার মো.জাবেদ রেজা,জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ,কুহালং ইউপি চেয়ারম্যান সানু প্র“ মারমা,সুয়ালক ইউপি চেয়ারম্যান রাংলাই ম্রো,টংকাবতি ইউপি চেয়ারম্যান পূর্ণচন্দ্র ম্রো এবং সদর ইউপি চেযারম্যান সাবুখয় মারমাসহ স্থানীয় সমাজ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।