৪ আগস্ট, ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২০ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ?

পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র রক্ষায় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের ১শ ৬টি হোটেল-মোটেল এবং রিসোর্ট ভেঙে ফেলতে যাচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আর নতুন করে কোনো স্থাপনাও করতে দেয়া হবেনা সেন্ট মার্টিনে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সেন্ট মার্টিনের সমস্ত স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নিতে পরিবেশ অধিদপ্তর মালিকদের নির্দেশ দিয়েছে। সে সাথে এতদিন পর্যন্ত পরিবেশের ক্ষতি করায় তাদের জরিমানাও গুণতে হবে।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হওয়ায় আকর্ষণীয় এ  পর্যটন কেন্দ্রকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে। পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকায় থাকার জন্য বাড়ছে স্থাপনার সংখ্যাও। বিপুল পর্যটকের চাপ সামাল দিতে না পেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে দ্বীপটি। হুমকির মুখে পড়েছে সেখানকার জীব-বৈচিত্র। এ অবস্থায় দ্বীপটিকে রক্ষায় সেখানকার সমস্ত হোটেল-মোটেল এবং রিসোর্ট অপসারণের নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

যে কোনো স্থাপনা করতে গেলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের প্রয়োজন থাকলেও কোনো রকম অনুমতি ছাচ্ছই সেন্টমার্টিনে গড়ে উঠেছে  ১শ ৬টি হোটেল-মোটেল এবং রিসোর্ট। এক দশক আগে সরকার সেন্ট মার্টিনকে ইকোলজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এলাকা ঘোষণা করে। পরিবেশ সংরক্ষন আইন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী এ এলাকায় স্থাপনা গড়ে তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সে অনুযায়ী বিগত ২০০৯ সালে উচ্চ আদালতে একটি রীটও করা হয়। এখন উচ্চ আদালতের সে নির্দেশের বিরুদ্ধে আপীল করার কথা বলছে হোটেল মালিকেরা।

শুধু স্থাপনা সরিয়েই নিয়ে পার পাবেননা হোটেল ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে পরিবেশ আইনে তাদের জরিমানাও গুণতে হবে। সাড়ে আট বর্গ কিলোমিটারের সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপে স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা আট হাজার।  পর্যটন মৌসুমে প্রতি রাতে ৫ থেকে ৬ হাজার পর্যটক এখানে রাত্রি যাপন করে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।