১৫ জুলাই, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৯ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

“পরীক্ষা চলাকালিন হরতাল অবরোধ দেওয়া জাতির জন্য মঙ্গলজনক নয়”

cixsbazar idrd 21.03.2015
ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার ফাউন্ডেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট এসএম হুমায়ুন কবির চৌধুরী  বলেছেন, “ দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ আর আতংক ডুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালীন সময় হরতাল আর অবরোধ দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সংকটময় পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া কখনো জাতির জন্য মঙ্গল জনক নয়”।
দেশে চলমান ঘটনা প্রবাহ অবরোধ, হরতাল, হত্যা , অগ্নিসংযোগ সহ নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে চরম মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে। এসব কর্মকান্ড থেকে সরে এসে দেশের মানুষকে নিরাপদে বসবাস করার পরিস্থিতি সৃষ্টির আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন,আইনের পরিপন্থি কাজই মানবাধিকার লংঘন। আইনের চোখে সকল নাগরকিই সমান।
২১ মার্চ শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা শাখা আয়োজিত দেশে চলমান হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মুখ্য আলোচক ও প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির চৌধুরী আরও বলেন,“আমি নিজে অপরাধ করবো না ও অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়ে স্বেচ্ছায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত করব” এটাই হোক সকলের প্রতিজ্ঞা।
সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে কক্সবাজার জেলা সভাপতি রমজান আলী সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিক সিরাজীর সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন, মিজানুর রহমান, মো. সোহেল, পরিতোষ বিশ্বাস, সন্তোষ দাশ, মো. আবু তৈয়ব, মোহাম্মদ শাহাজান, নুরুল হাকিম সহ জেলা ও উপজেলার কমিটির সদস্যরা।
দেশে চলমান বিভিন্ন পন্থায় নাশকতা সৃষ্টি করে চরম মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে। কে এই ক্ষতি পূরণ করবে। “ অন্যায় অত্যাচার অবিচারের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম মূখর হয়ে উঠুক, দুস্থ মানবতার সেবায় জীবন হউক উৎসর্গ। নির্যাতিতদের সমবেদনার সুরে ঝড়ে পড়ুক রক্ত রেখা, জাগো সত্য-সুন্দর, প্রতিষ্ঠিত হউক মাবনাধিকার”।
আলোচকরা বলেন, আমরা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী তাদের বিচার প্রত্যাশা করছি। দেশের মানুষের নিরাপত্তার অভাব। গুম, হত্যার কারণ উদ্ঘাটন না হলে এবং আইন ও বিচার নিজস্ব গতিতে না চললে, সেই দেশের প্রতি কারো বিশ্বাস থাকে না। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আমার, আপনার সকলের। এই পরিণতি থেকে উত্তরণের উপায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও সংবিধানের উপর পূর্ন আস্থা রেখে পরিপূর্নভাবে আইন বাস্তবায়ন করা। মানুষের মনে সৎ ও আদর্শের মনোভাব গড়ে উঠুক, প্রতিষ্ঠিত হোক মানবাধিকার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।