১৭ জুন, ২০২৪ | ৩ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১০ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি   ●  সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান   ●  ডা.আবু বকর ছিদ্দিক এর চতুর্থ  মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার    ●  কক্সবাজারে আইএসইসি প্রকল্পের অধীনে যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ    ●  কক্সবাজারে শ্রেষ্ঠ সার্কেল রাসেল, ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি 

নাটকীয়ভাবে সালাউদ্দিনের সন্ধান মিলতে পারে!

Salah Uddin Ahmed 1
বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র ধারণার সৃষ্টি হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সালাহ উদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজিরের সময়সীমা শেষ হচ্ছে আজ। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রাক্ষাকারি বাহিনীর কোন সংস্থাই স্বীকার করেননি যে তাদের কাছে রয়েছেন সালাউদ্দিন।
অপরদিকে সালাউদ্দিন আহমেদের পরিবারের দাবি গত মঙ্গলবার রাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়েই বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে অনেকে ধারণা করছেন, পরিবেশবাদী আইনজীবী ও বেলার নির্বাহী পরিচালক এ্যাডভোকেট রিজওয়ানা চৌধূরীর স্বামী এবি সিদ্দিকের মত সালাউদ্দিন আহমেদকে রাস্তায় কোন স্থানে ফেলে চলে যাবে দুর্বৃত্তরা। আবার অনেকের ধারণা, কোন এক অজ্ঞাত স্থান থেকে সালাউদ্দিনের সন্ধান মিলবে। তাকে কেউ অপহরণও করতে পারে। আবার মামলা ও গ্রেপ্তার এড়াতে বিদেশেও চলে যাবার পোষণ করেছেন বিএনপি সংশ্লিষ্টরাই।

অন্যদিকে চারদিন পার হলেও সালাহ উদ্দিন আহমেদের সন্ধান না পাওয়ায় শঙ্কিত দলটির নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

এদিকে নিখোঁজ সালাহ উদ্দিন আহমেদের খোঁজ যখন সরকার এবং প্রশাসন দিতে পারছে না তখনই উত্তরার দক্ষিণখানের কেসি নামক একটি হাসপাতালে তিনি আছেন বলে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে। কেসি হাসপাতালটি দক্ষিণখান বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত। দুই দিন যাবত এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব নিখোঁজ সালাহ উদ্দিন আহমেদ ওই হাসপাতালে আছেন।

বিবিসির সংলাপ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ নিখোঁজের ঘটনা কি নিছক নিখোঁজ? নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের চেষ্টা- এ প্রশ্ন ওঠেছে ‘বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে। সরকারবিরোধী পক্ষের আলোচক বলেছেন, এ নেতাকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন তা তিনি প্রমাণ করুক।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের ১০৮তম পর্ব হয়। এবার অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তাজমেরি এস এ ইসলাম এবং বেসরকারি সংগঠন নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবির।
অনুষ্ঠানে এক দর্শক জানতে চান- সালাহ উদ্দিন আহমদের বিষয়টি কি নিছক একটি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা, নাকি তা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের একটি চেষ্টা? জবাবে খুশী কবির বলেন, দুটোই হতে পারে। প্রতিপক্ষ দমনের চেষ্টা বর্তমান সরকার ও বিগত সরকার সবাই করেছে। তিনি বলেন, একজন মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেলো। আমরা অবশ্যই এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন। সালাহ উদ্দিন আহমদকে হাজির করতে আদালত আইনশৃক্সখলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য আমরা রোববার পর্যন্ত অপেক্ষা করছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, খালেদা জিয়াকে জবাব দিতে হবে, তিনি সালাহ উদ্দিন আহমেদকে কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন।
এ বিষয়ে এক দর্শক বলেন, খালেদা জিয়া খোঁজ দিতে পারলে আইনশৃক্সখলা বাহিনীর কাজ কী? শওকত মাহমুদ বলেন, সরকার যে লুকিয়ে রাখার কথা বলছে, তা প্রমাণ করুক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর খোঁজ মিলছে না। কয়েকদিন পরে দেখা যাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী স্বীকার করছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।