১৪ এপ্রিল, ২০২৪ | ১ বৈশাখ, ১৪৩০ | ৪ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে   ●  ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার,ক্র্যাকের সভাপতি জসিম, সম্পাদক নিহাদ   ●  নতুন জামাতে রঙিন ১০০ শিশুর মুখ   ●  মহেশখালী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার পাশা চৌধুরীর মৃত্যুতে জেলা আ’লীগের শোক   ●  পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে যৌথ অভিযান   ●  নিরাপদ পেকুয়া গড়তে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এক হতে হবে, ড. সজীব

টেকনাফে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ: অতপর পালিয়েছে লম্পট প্রেমিক

images
টেকনাফের ১মহিলাকে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের পর পালিয়েছে লম্পট প্রেমিক জসিম। ভূক্তভোগী মহিলা সুবিচার চেয়ে প্রভাবশালীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে।
ভূক্তভোগীর মহিলার স্বীকারোক্তিতে জানাযায়,মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সুত্রধরে গত ৪ মার্চ বিকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়ার সৌদি প্রবাসী মৌলভী আব্দুল গাফ্ফারের মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার (১৮) কে হ্নীলা পূর্ব পানখালীর মনির আহমদের পুত্র জসিম উদ্দিন (২৭) কোর্ট ম্যারেজের প্রলোভন দিয়ে কক্সবাজার কলাতলীর একটি কটেজে নিয়ে যায়। উকিলকে মোটাংকের বিনিময়ে কোর্ট ম্যারেজ গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছে লম্পট জসিম ইয়াছমিনকে আশ্বস্থ করে। ইয়াছমিন তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে রাত্রি-যাপন করে। পরদিন সেই কটেজ হতে জসিম মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে কোথায় পালিয়ে যায়। একদিন পর ইয়াছমিন জসিমের মোবাইলে কল করলে গিয়াস উদ্দিন নামে তার এক বন্ধু পরিচয়ে মোবাইল রিসিভ করে। ইয়াছমিন কোথায় জানতে চাইলে বলে আমাকে তোমার বন্ধু কক্সবাজার যেখানে রেখে গেছ সেখানে আছি। প্রতি উত্তরে গিয়াস উদ্দিন নামে ঐ ব্যক্তি বলে আমার বন্ধু জসিম মারাতœক রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে চমেকে অজ্ঞান অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তুমি বাড়িতে চলে যাও। পরে যা হওয়ার হবে বলে লাইন কেটে দেয়। এই কথার জেরধরে সে নিরুপায় হয়ে বাড়িতে ফিরে আসে। ইয়াছমিনের মা কোথায় গিয়েছিলে বলে মারধর করতে থাকলে সে সব ঘটনা মাকে খুলে বলে। মা তাকে বাড়িতে বের করে দেয়। ইয়াছমিন শেষ পর্যন্ত নিরুপায় হয়ে লম্পট জসিমের বাড়িতে অবস্থান নেয়। এমতাবস্থায় লম্পট জসিমের বড় ভাই কামাল,মা-বোন চুল ধরে টানা হেঁছড়া করে মারধর করে বের করে দিলে শোরগোলে শুনে লোকজন জমায়েত হলে লম্পট জসিমের অপকর্মের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এই খবর পেয়ে স্থানীয় হোছাইন আহমদ মেম্বার, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদ হোছাইন ও হাসান আহমদ মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি মিলে সমঝোতার চেষ্টা চালায়। কিন্তু লম্পট জসিম উপস্থিত না থাকায় সমাধান করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে প্রভাবশালী একটি মহল মোটাংকের বিনিময়ে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ধামা-চাপা দেওয়ার জন্য জোর অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত জসিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া না গেলেও তার বড় ভাই কামাল সংবাদটি বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করে। স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল এই বিষয়ের সুষ্ঠু সমাধান করতে ১৫ মার্চ সকালে বিশেষ বৈঠকে বসছে বলে জানা গেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।