মূল খবরে যান

শিরোনাম
● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক

টেকনাফের ‘মুন্নার’ গুলিবিদ্ধ লাশ চকরিয়ার জঙ্গল থেকে উদ্ধার

শেয়ার করুন

কক্সবাজারের চকরিয়ার একটি জঙ্গল থেকে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে উপজেলার মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার জঙ্গল থেকে চকরিয়া থানার পুলিশ ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে।

ওই যুবকের নাম রবিউল হাসান ওরফে মুন্না (৩৩)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জিমনখালী গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। রাত আটটার দিকে চকরিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে রবিউল হাসানের লাশ শনাক্ত করেন তাঁর স্ত্রী। তিনি বলেন, ২৪ এপ্রিল রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

চকরিয়া থানা উপপরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় এক কাঠুরিয়ার দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেধাকচ্ছপিয়ার ঢালার জঙ্গল থেকে রবিউল হাসানের লাশ উদ্ধার করে। তাঁর শরীর বিকৃত হয়ে গেছে। তবে ডান হাতে একটি গুলির চিহ্ন ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর রাত আটটার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, লাশের সঙ্গে একটি মুঠোফোন সেট পাওয়া গেছে। ওই মুঠোফোনের নম্বরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সার্চ দিয়ে রবিউল হাসানের নাম পাওয়া যায়। পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রবিউলের স্ত্রী লাশ শনাক্ত করেন।

এএসপি মতিউল বলেন, রবিউলকে তিন-চার দিন আগে অন্য কোনো জায়গায় হত্যা করা হয়। পরে লাশ মেধাকচ্ছপিয়ার জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

রবিউলের স্ত্রী আসমা আকতার সাংবাদিকদের বলেন, ২৪ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার এক বন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে রবিউল বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেলে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সূত্র- প্রথম আলো

শেয়ার করুন