১৫ জুন, ২০২৪ | ১ আষাঢ়, ১৪৩১ | ৮ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি   ●  সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান   ●  ডা.আবু বকর ছিদ্দিক এর চতুর্থ  মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার    ●  কক্সবাজারে আইএসইসি প্রকল্পের অধীনে যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ ও সনদ বিতরণ    ●  কক্সবাজারে শ্রেষ্ঠ সার্কেল রাসেল, ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি 

জেলায় জেলায় হবে গডফাদারদের তালিকা

জেলায় জেলায় গজিয়ে ওঠা গডফাদারদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ বিষয়ে কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, দুদকের মামলার হাত থেকে বাঁচতে যারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পাচার করা অর্থ আদালতের মাধ্যমে ফেরত আনা হবে।

কমিশনের প্রতিটি কর্মী দুর্নীতি দমনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছেন। তাই এসব কাজে সক্ষমতার কোনও অভাব হবে না বলে মন্তব্য করেন দুদক চেয়ারম্যান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ২২ জন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হবে জেলায়-জেলায় কারা গডফাদার, কারা সন্ত্রাস করে বিপুল অর্থের মালিক হচ্ছেন, কারা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অর্থ উপার্জন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে তথ্য নেয়া। যার ভিত্তিতে প্রধান কার্যালয় থেকে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গডফাদার বলতে আমরা বোঝাচ্ছি, যারা মাদকের ব্যবসা করছেন, সন্ত্রাস করছেন, যারা সরকারি সম্পত্তি বেদখল করছেন, অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন তারা। কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার। আমরা কঠোর অবস্থানে আছি এবং যে কোনও মূল্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। মেট্রোপলিটন কেন্দ্রিক নয়, আমরা চাই, মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে।

গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী গেলো পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে গেছে। আমদানি-রফতানির সময় ওভার বা আন্ডার ইনভয়েজ করে এই টাকা পাচার করা হয়েছে। আর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদের মালিকরা বিদেশে পালিয়ে যেতে শুরু করে। তাদের মধ্যে যুবলীগ নেতা এনামুল হক ও রুপন ভূঁইঞা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।