১৭ এপ্রিল, ২০২৪ | ৪ বৈশাখ, ১৪৩১ | ৭ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  ‘বনকর্মীদের শোকের মাঝেও স্বস্তি, হত্যার ‘পরিকল্পনাকারি কামালসহ গ্রেপ্তার আরও ২   ●  উখিয়া নাগরিক পরিষদ এর ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে   ●  ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার,ক্র্যাকের সভাপতি জসিম, সম্পাদক নিহাদ   ●  নতুন জামাতে রঙিন ১০০ শিশুর মুখ   ●  মহেশখালী উপজেলা আ’লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার পাশা চৌধুরীর মৃত্যুতে জেলা আ’লীগের শোক

জালালাবাদে গ্রামবাসীর উদ্যোগে বৃষ্টির জন্য কোরান তেলাওয়াত, জিকির, নামাজসহ তিন দিনব্যাপী প্রার্থনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

shomoy
কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ফসলী জমিতে বৃষ্টির জন্য মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে কোরান তেলাওয়াত, জিকির, নামাজসহ প্রার্থনা করেন শত শত লোকজন। জানা যায়, ২২ মার্চ থেকে ৩দিন ব্যাপী ফসলী জমিতে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিলের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় জালালাবাদ ইউনিয়নের মোহনবিলা গ্রামে। তার পাশাপাশি (দমকা বিলের ফসলী মাঠে) কৃষকসহ এলাকাবাসী নফল নামাজ, কোরান তেলাওয়াত, জিকির ও আল্লাহ তাআলার কাছে অশ্রুসিক্ত নয়নে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মুনাজাত করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- পালাকাটার হাফেজ এমদাদুল হক,  সচেতন যুবক বেদারুল ইসলামসহ এলাকার সর্বপেশার বিপুল সংখ্যক লোকজন। এদিকে বৃহত্তর ঈদগাঁওতে হাজার হাজার একর ফসলী জমি বিগত ২০ দিন ধরে ফেটে চৌচির হয়ে পানির অভাবে হাহাকার অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার ফলে এলাকার লোকজন বৃষ্টির আশায় প্রার্থনা করছেন বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে উপস্থিত যুবক বেদারুল ইসলাম আজকের কক্সবাজারকে জানান, এলাকার শত শত লোকজন ৩দিন ধরে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য মোনাজাত অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। এদিকে, বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নে খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে পড়ার কারনে মারাত্মক সংকটে পড়েছে ঈদগাঁও’র অধিকাংশ কৃষক সমাজ। স্বচ্ছল কৃষক পরিবারগুলো নলকূপ দিয়ে সেচ সংকট নিবারণ করতে সক্ষম হলেও অস্বচ্ছল কৃষক পরিবারগুলো যেন মাথায় হাত দেওয়ার উপক্রম শুরু হয়েছে। এদিকে প্রান্তিক বুরো চাষীরা পড়েছে মহা সংকটে। তারা যেন অর্থের দিকে চেয়ে না থেকে যে কোন মূল্যে তাদের কষ্টার্জিত চাষাবাদ টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে মহা তোড়জোড় শুরু করতে দেখা যায়। সব কথার এক কথা হচ্ছে ফসল বাঁচানো। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে বৃহত্তর এলাকায় খাল-বিল, নদীতে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। নাব্যতা হারিয়ে প্রবাহিত খাল-বিলে শুকিয়ে গেছে পানি। তার সাথে দেখা যাচ্ছে যে, ঈদগাঁও নদীতে নলকূপ বসিয়ে নদীর পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি ফেটে চৌচির হওয়া জমিগুলোতে পানি দিচ্ছে অসহায় কৃষক সমাজ। এনিয়ে অনেক চাষীদের মাঝে একটু স্বস্তি ফিরে এলেও অন্যদের মাঝে হতাশার কালোছায়া দেখা দিয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।