মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় ভেঙে গেল বিয়ে

শেয়ার করুন

বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন। কনের বাড়িতে হাজির বরপক্ষ। কাজি বরের জাতীয় পরিচয়পত্র চাইলেন। কিন্তু বরপক্ষ তা দিতে পারল না। শেষ পর্যন্ত বিয়েটাই ভেস্তে গেল।
এ ঘটনা সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামের। গতকাল রোববার এ গ্রামের বাছিত মিয়া মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু পাত্রপক্ষ বরের জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে না পারায় তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। পরে গ্রামেরই আরেকটি ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বাছিত মিয়ার মেয়ের সঙ্গে আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের এক তরুণের বিয়ে ঠিক হয়। গতকাল যথাসময়ে হাজির হয় বরপক্ষ। কাজি হাফিজুর রহমান বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। তিনি বরের জাতীয় পরিচয়পত্র চান। বরপক্ষ জানায়, পরিচয়পত্র আনতে ভুলে গিয়েছে। পরিচয়পত্র ছাড়া বিয়ের কাবিন হবে না বলে ঘোষণা দেন কাজি। এ সময় বর ও কনেপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাছিত মিয়া বিয়ে ভেঙে দেন।
আবদুল বাছিত কৃষিকাজ করে সংসার চালান। তিনি বলেন, ‘যে ছেলের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁর কাছে মেয়ে বিয়ে দিই কী করে? বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। সন্ধ্যায় নিকট আত্মীয়ের ছেলের কাছে মেয়ের বিয়ে দিয়েছি।’
কাজি হাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া বিয়ের কাবিন করা যাবে না, বলার পরও বরপক্ষ তা আনতে পারেনি। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়।
পাইলগাঁও ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সাহান আহমদ বলেন, সচেতনতার অভাবে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যাপারে সবার সচেতন হতে হবে।
সূত্র : প্রথম আলো

শেয়ার করুন