মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ হচ্ছে

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তারই সূত্র ধরে সেন্টমার্টিন থেকে বিচ্ছিন্ন সাত কিলোমিটার দূরে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ১০৬টি আবাসিক হোটেল সরিয়ে নিতে কর্তৃপক্ষকে নতুন করে চিঠি দেবে পরিবেশ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সোলায়মান হায়দার।

তিনি জানান, সেন্টমার্টিনের সব জায়গাটা পর্যটকদের জন্য না। তাহলে পুরো দ্বীপ ধ্বংস হয়ে যাবে। ছেঁড়াদ্বীপ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জমি। ছেঁড়াদ্বীপে কোরাল দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দ্বীপ বাঁচিয়ে রাখতে, কোরাল বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

সোলায়মান হায়দার বলেন, ছেঁড়াদ্বীপ সংরক্ষণের জন্য সেখানে কাউকে যেতে দেওয়া হবে না। কেননা লোকজনের চাপে ছেড়া দ্বীপের কোরাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পুরো সেন্টমার্টিন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি পর্যক্রামে বাস্তায়ন হবে। তাছাড়া দ্বীপে গড়ে উঠা সব আবাসিক হোটেল সরিয়ে নিতে নতুন করে নির্দশনা দেওয়া হবে। সরকারের উর্দ্ধতন কৃতপক্ষের নিদর্শনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব আবাসিক হোটেল-মোটেল ভেঙে দেওয়া হবে।

কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী এম ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, ‘দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সরকার বার বার উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। আমরা এখন কার্যকর দেখতে চাই। শুধু ছেঁড়াদ্বীপ কেন, পুরো সেন্টমার্টিনকে রক্ষায় অতিদ্রুত প্রদক্ষেপ নেওয়া দরকার। না হলে সারা বিশ্বে পরিচিত দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হারিয়ে যাবে।’

দ্বীপের বাসিন্দা আবদুল মালেক বলেন, ‘প্রতিদিন দ্বীপে হাজারো পর্যটক ভ্রমণে আসছে। এসব পর্যটকরা ময়লা আর্বজনা ফেলছে সৈকতে। এভাবে চলতে থাকলে দ্বীপ একদিন শেষ হয়ে যাবে। তাই সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি দ্বীপ রক্ষায় যেন দ্রুত প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে থেকে ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটক না যেতে একটি নিদর্শনা দিয়েছে বলে শুনেছি। এর বাহিরে আমি আর কিছু জানি না।’

শেয়ার করুন