মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

চিংড়ি মাছের ওজন বাড়াতে প্লাস্টিক ও জেল ব্যবহার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা

শেয়ার করুন

ইমাম খাইর, কক্সবাজার

কক্সবাজার শহরের বড় বাজারে বাগদা চিংড়িতে প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মেশানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
মাছের দ্রুত পচন ঠেকাতে এবং ওজন বাড়াতে এমনটি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এই কাজে জড়িত রয়েছে একটি সিন্ডিকেট।
শনিবার (৪ জুন) বিকেলে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন সহযোগী অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সহকারীর হাতে অভিনব জালিয়াতি ধরা পড়ে।
পরে অবশ্যই ওই মাছ ফেরত নেন এবং বিক্রিত মাছের বদলে অন্য মাছ দেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চিকিৎসকের সহকারি জানান, বড়বাজার থেকে চিকিৎসকের জন্য ২ কেজি বাগদা চিংড়ি কিনেন। বাসায় গিয়ে দেখেন, ভেজাল। প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মেশানো হয়েছে চিংড়িতে।
তাৎক্ষণিক বিক্রেতার নিকট অভিযোগ নিয়ে গেলে মাছগুলো ফেরত নিয়ে ওই টাকার বদলে ভিন্ন জাতের ছোট মাছ দেন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, পর্যটন শহরের ব্যবসায়ীরা যদি এমন জালিয়াতি করে, মেনে নেওয়া যায়?
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকারসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সচেতন মহল।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বড়বাজার মৎস্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ছৈয়দ আকবর বলেন, আব্দুল খালেক নামক একজন ব্যক্তি মাছগুলো বিক্রি করেছে। তার বাড়ি কক্সবাজার শহরের বাদশা ঘোনা। অভিযোগ পাওয়ার পর তার মাছ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমন প্রতারণামূলক ব্যবসা যারা করছে তাদের বাজারে মাছ বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ জাহিদ ইকবাল বলেন, এমন কাজটি যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি সূত্র মারফত জানা গেছে, প্লাস্টিক ও জেল (বিষ) মিশ্রিত চিংড়ি মাছগুলো সাতক্ষীরা থেকে কক্সবাজারে আনছে অসাধু একটি চক্র।

সাগরে মাছধরা নিষিদ্ধের মৌসুমে সংকটের সুযোগে জালিয়াতির পথ অবলম্বন করে অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা।
একটি সিন্ডিকেট ফিশারিঘাট ও শহরের বড়বাজার কেন্দ্রিক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় ভোক্তারা।

শেয়ার করুন