৫ আগস্ট, ২০২৬ | ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২১ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?

চট্টগ্রামের লেগুনা চালক হত্যার অভিযুক্ত আসামি সেন্টমার্টিন থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

নগরের  সাগরিকা এলাকা থেকে বিয়ের ভাড়া আছে জানিয়ে লেগুনা চালক নাজমুলকে কৌশলে অপহরণ করে মদুনাঘাট এলাকায় নিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি ইমনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) র‌্যাবের পক্ষ থেকে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয়।

আসামি ইমনকে টেকনাফের সেন্টমার্টিন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭ এর একটি টিম।

র‌্যাব-৭ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জানান, লেগুনা চালক নাজমুল হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইমনকে সেন্টমার্টিন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ৭ নভেম্বর লেগুনা চালক নাজমুল সাগরিকা এলাকা থেকে মদুনাঘাট এলাকায় গিয়ে অপহরণ শিকার হয়েছিলেন। নাজমুলের খোঁজ না পেয়ে তার পরিবার পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।

পরে নাজমুলের পরিবারের কাছে ফোন করে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। নাজমুলের পরিবার বিষয়টি র‌্যাব-৭ কে জানালে র‌্যাব তদন্তে নেমে সন্দেহভাজন হিসেবে রাজুকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে রাজু।

১০ নভেম্বর সকালে হাটহাজারী থানাধীন অনন্যা আবাসিকের পেছনে চন্দ্রাবিল থেকে নাজমুলের মরদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। নিহত লেগুনা চালক নাজমুল গোপালগঞ্জ জেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা এলাকার মজনু শেখের ছেলে বলে জানা গেছে।

র‌্যাব জানিয়েছিল, নাজমুলকে কৌশলে অপহরণ করা হয়েছিল। একপর্যায়ে তারা নাজমুলকে হত্যা করে। মদুনাঘাট চন্দ্রবিল এলাকায় খুন করার পর নাজমুলের গাড়িটি অপহরণকারীরা চালিয়ে নিয়ে বোয়ালখালীতে সড়কের পাশে রেখে দেয়। পরে নাজমুলের পরিবারের কাছে ফোন করে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।