১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১৮ মাঘ, ১৪২৯ | ৯ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ   ●  সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর

চকরিয়ায় এনজিও’র ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

mamla
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের একব্যক্তি বেতনের টাকা অনাদায়ের অভিযোগে এনজিও সংস্থা কোস্ট ট্রাস্টের ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেছে। প্রায় ৪ লাখ টাকা পাওনা দাবি করে ইউনিয়নের ছগিরশাহকাটা গ্রামের সামসুল আলমের ছেলে জমির উদ্দিন বাদি হয়ে গত ২৮ জানুয়ারী চকরিয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আর্জিতে ভুক্তভোগী বাদি জমির উদ্দিন জানান, তিনি ২০০৮ সালের ১৮ আগস্ট কোস্ট ট্রাস্ট নামক এন,জি, ও সংস্থায় বদরখালী শাখায় সিআরইএফ প্রজক্টে পিজিও হিসাবে যোগদান করেন। যার ফাইল নং ২২২৮। উক্ত চাকুরীতে যোগদান করার সময় তার এস,এস,সির মূল সনদ, ইলেকট্রিশিয়ান সনদ পত্রের মূল কপি ও চাকুরীকালীন সম্পাদিত চুক্তি পত্রের মূলকপি সংস্থা অফিসে জমা করে নেন। সংস্থার কর্মকর্তাদের ব্যবহারের কারণে তিনি চাকুরী থেকে অব্যাহতি নিতে ২০১২ সালের ৬ নভেম্বর শাখা ব্যবস্থাপক বরাবরে তিনি পদত্যাগ পত্র প্রদান করেন। কোস্ট ট্রাস্টের নিয়মানুযায়ী তিনি আরো এক মাস পর্যন্ত সংস্থায় চাকুরী করেন। শাখা ব্যবস্থাক তার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে কোন ধরণের আপত্তি ছাড়া কোস্ট ট্রাস্ট প্রধান কার্যালয়ে তার পদত্যাগ পত্র প্রেরণ করেন।
বাদী আরো জানান, চাকুরী কালীন সময়ে সর্বশেষ বেতন ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে বেতন উত্তোলন করেন তার মাসিক বেতন ছিল ৯৫০৪টাকা। নিট বেতন ছিল ৭৭২০টাকা। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী চাকুরী জীবিগণ পি.এফ. গ্র্যাচ্যুইটিসহ উৎসব বোনাস পেয়ে থাকেন। তার পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বিলম্ব হওয়ায় বাদী বদর খালী বাজার পরিচালনা পরিষদে উক্ত কোস্ট ট্রাস্টের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতেও কোস্ট ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ বাজার পরিচালনা পরিষদের আইন অমান্য করায় তাকে আদালতে গিয়ে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেয়। যার তারিখ ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল। কোন উপায় না দেখে বাদী জমির উদ্দিন আইনজীবির মাধ্যমে এব্যাপারে কোস্ট ট্রাস্ট এর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর একটি লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করে। এই লিগ্যাল নোটিশ পেয়ে কোস্ট ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ উল্টো বাদি জমির উদ্দিনকে এক নম্বর ও তার পিতা শামশুল আলমকে দুই নম্বর আসামি করে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত ৫ মার্চ একটি মামলা দায়ের করেন।
জানা গেছে, কোস্ট ট্রাস্টের দায়ের করা মামলাটি তদন্তের জন্য উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ অবস্থার পর ভুক্তভোগী জমির উদ্দিন ও তার পরিবার চরম অসহায় হয়ে পড়েছেন। এব্যাপারে তাঁরা আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থণা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।