৩০ জানুয়ারি, ২০২৩ | ১৬ মাঘ, ১৪২৯ | ৭ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ   ●  সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর   ●  তত্ত্বাবধায়কের কাছে ভুক্তভোগীর আবেদন চিকিৎসার জন্য টাকা দাবি করলো নার্স, হুমকির অভিযোগ   ●  ডিজিটাল আইল্যান্ডকে স্মার্ট আইল্যান্ডে পরিণত করার পেছনের গল্প রচনা করবে ছাত্রলীগ

চকরিয়ার মো: হানিফ পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ১০লাখ টাকার অনুদান

shomoy
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহি বাসে পেট্টোল বোমা হামলায় অগ্নিদগ্ধ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ হানিফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ত্রান তহবিলের ১০লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হাতে পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সোনালী ব্যাংক চকরিয়া শাখায় তার হাতে অনুদানের এ সঞ্চয়পত্র তুলে দেন বরইতলী ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপক দলিলুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার সাব্বির আহমদ, চকরিয়া থানা সেন্টার ডাক বিভাগের সহকারী পোষ্ট মাষ্টার আবদুল মন্নান, সাংবাদিক এম.জিয়াবুল হক, সাংবাদিক আবদুল মজিদ, অগ্নিদদ্ধ হানিফের চাচা মোহাম্মদ ছোবহান, কামাল হোসেন ও প্রতিবেশি যুবলীগ নেতা তৌহিদুল ইসলাম।
জানা গেছে, চলতিবছরের গত ৩ফেব্রুয়ারী কাতারগামী বড়ভাইকে বিমানে তুলে দিতে ঢাকা যাওয়ার পথে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রোল বোমায় হামলা শিকার হন হানিফ ও বিদেশগামী তারবড় ভাই মোহাম্মদ ইউছুপ, আত্মীয় আবু তাহের ও রাশেদুল ইসলাম বাদশা। ওইদিন ঘটনাস্থলে ইউছুপ ও আবু তাহের অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। পরে হাসপাতালে মারা যান রাশেদুল ইসলাম বাদশা। ভাগ্যচক্রে ঢাকার বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসা নিয়ে প্রানে বেঁেচ যান হানিফ।
এদিকে আহত হানিফ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুদানের সঞ্চয়পত্র পেলেও এখনো সরকারি সহায়তায় পায়নি নিহত ইউছুপ, আবু তাহের ও বাদশার পরিবার। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারী নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছের পক্ষ থেকে ২০হাজার টাকা, কক্সবাজারের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো.রুহুল আমিনের পক্ষ থেকে ২০হাজার টাকা ও ৩০কেজি করে চাউল এবং চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আলমের পক্ষ থেকে ১০হাজার করে দেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবার সদস্যরা জানান, পরিবারের দৈন্যদশা কাটিয়ে উঠতে দ্রুত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা বাস্তবায়নে তাঁরা হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জানতে চাইলে বরইতলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এটিএম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জিয়া বলেন, কুমিল্লায় পেট্রল বোমায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আহত হানিফকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেয়া ১০লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র মঙ্গলবার তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আর্থিক এ সহায়তা পেয়ে হানিফ নতুন করে জীবন পরিচালনার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি বলেন, নিহত তিনজনের পরিবারের সকল কাগজপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সহসা তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অনুদানের সহায়তা দেওয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।