৪ আগস্ট, ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২০ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?

‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

দেশে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন ও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখার জন্য সম্মানজনক ‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে আগামী রোববার থেকে মঙ্গলবার (৭ থেকে ৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য ‘মোবাইল গভর্নমেন্ট ওয়ার্ল্ড সামিট-২০১৭’ অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে, আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর একনিষ্ঠ কর্মউদ্যোগে ডিজিটাল বাংলাদেশের দৃশ্যমান আগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সে অগ্রযাত্রার কল্যাণে দেশের মানুষ এখন ৪০ শতাংশেরও বেশি সরকারি সেবা এখন হাতের মুঠোয় পেয়ে যাচ্ছে। আর এই সেবা জনগণের দোরগোরায় পৌঁছে দিতে শক্তিশালী ও অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি’ কর্মসূচি। ফলে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ অত্যন্ত সম্মানজনক এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে চলা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঠিক রূপরেখার যথার্থতা প্রমাণ করে। এই পুরস্কার এম-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় প্রেরণা জোগাবে, সবার সমন্বিত কর্মপ্রচেষ্টা নতুন উদ্যোম পাবে বলেও যুক্ত করেন তিনি।

জানা গেছে, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশসহ ১১ দেশের ১৩টি প্রকল্প রয়েছে। প্রতিযোগী অন্যান্য দেশগুলো মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, কলাম্বিয়া, স্লোভাকিয়া, তুরস্ক, চিলি, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারত।

উল্লেখ্য, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি’ কর্মসূচিতে ১০০টি মোবাইল অ্যাপ উন্নয়ন করা হয়। সারাদেশে দুই হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারকে অ্যাপ উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক সরকারি ডোমেইন এক্সপার্টকে নিয়ে এই কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।