৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ২৬ মাঘ, ১৪২৯ | ১৭ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  চট্টগ্রামের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, এমপি মোসলেম উদ্দীনের মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা আ’লীগের শোক   ●  স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের সঙ্গে একান্তে সাক্ষাত এমপি জাফর আলমের   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হয়রানি ও হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন   ●  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানোন্নয়নে কক্সবাজার পৌর এলাকায় চলছে দরিদ্রবান্ধব নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কাজ   ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম

গর্জনীয়ায় মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে কোটি টাকা আত্বসাতের অভিযোগ

obijog
রামু উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা হিসাবে পরিচিত গর্জনীয়া ইউনিয়নের বড়বিলের এমদাদিয়া আজিজুল উলুম মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে কোটি টাকা আত্বসাতের অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, বড়বিল এমদাদিয়া আজিজুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক হিসাবে দীর্ঘ দিন যাবৎ দেশে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে মাদ্রাসার এতিম ছাত্র ও উন্নয়নের কথা বলে কোটি কোটি টাকা আত্বসাত করে। দীর্ঘ ২ বৎসর যাবৎ মাদ্রাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও উক্ত পরিচালক নিজেকে মাদ্রাসার পরিচালক পরিচয় দিয়ে অন্যায় ভাবে বৈদেশিক নানা সুবিধা আদায় করে আসছে এবং টাকা আত্বসাতের বিষয় প্রকাশ হয়ে পড়লে মাদ্রাসাটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ও এলাকার সচেতন লোকজন ইতিমধ্যে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন এবং সংসদ সদস্য রামু-কক্সবাজার আসন-৩, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ৫০ বিজিবি অধিনায়ক রামু, র‌্যাব-৭ অধিনায়ক, ডিজিএফআই অধিনায়ক, এনএসআই অধিনায়ক, দূর্নীতি দমন কমিশন সহ রামু থানায় অভিযোগের অনুলিপি প্রেরণ করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে আরো জানা যায়, উক্ত পরিচালকের সাথে মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠন রোহিঙ্গা সেলিভেরিটি অর্গানাইজেশন (আর.এস.ও) এর সম্পর্ক রয়েছে এবং দীর্ঘদিন থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং আর.এস.ও এর সাথে কক্সবাজারের বিলাশ বহুল বাড়ীতে বৈঠকের কথাও উঠে আসে অভিযোগে। অভিযোগের কথা জানাজানি হলে অভিযোক্ত পরিচালক দুবাই পালিয়ে যান বলে জানালেন অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে অভিযোক্ত পরিচালক মৌলানা মাহবুবুর রহমান বিদেশ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে পরিচালকের এমন রাষ্ট্রদ্রোহী জগন্য কাজ ও মাদ্রাসার টাকা আত্বসাতে সংশ্লিষ্ট থাকায় এলাকার সচেতন লোক সাধারণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার পাসপোর্ট জব্দ সহ প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, এলাকার কোমলমতি শিশুরা দ্বীনি শিক্ষা গ্রহন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে একথা উপলব্ধি করে তৎসময়ে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন অভিযুক্ত মৌলানা মাহবুবুর রহমানের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ মাওলানা নজির আহমদ। তার মৃত্যুর পর থেকে পরিচালকের পদ নিয়ে তিন ভাইদের কোন্দলে পড়ে মাদ্রাসাটির অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয় এবং তিনজনই মাদ্রাসাটির পরিচালক দাবী করে আসে। ভাইদের কোন্দলের কারণে এক সময়ের দ্বীনি শিক্ষার মাধ্যম মাদরাসাটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। যার ফলে দ্বীনি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থী।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।