২০ জুন, ২০২৪ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৩ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  পাহাড় ধ্বসঃ ৮ রোহিঙ্গাসহ নিহত ১০   ●  উখিয়ার ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধ্বসে ৭ রোহিঙ্গা সহ নিহত ৯   ●  রামুতে ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা   ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি   ●  সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

গর্জনিয়ার সিএইচসিপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে ৪ সদস্যের তদন্ত দল

pic-ha-05-05-15
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) জুলেখা খানমের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অবশেষে তদন্ত শুরু করেছে কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত দল। মঙ্গলবার (৫মে) সকালে সরেজমিনে থিমছড়ি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন ওই কমিটি। এসময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ও তদন্ত দলের প্রধান ডা: মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা ডা: উচাপ্রু মার্মাসহ বাকী দুই সদস্য মিলে স্থানীয় জনসাধারণ ও ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির লোকজনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকেও লিখিত বক্তব্য নেন।
তদন্ত চলাকালে থিমছড়ি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ জুবাইর, সহ-সভাপতি ও নারী ইউপি সদস্য রওশন আক্তার, সদস্য আবদুল আলিম, ইউপি সদস্য আবু তাহের, মাওলানা আবদুল অজিজ, মাওলানা নাজের হোছাইন, আবদুল জব্বারসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
তারা সবাই নিয়োগের পর থেকেই জুলেখা খানম কর্তৃক ক্লিনিকে সর্বসাধারণকে দুর্ব্যবহার, নগদ অর্থ আদায়, মালামাল স্থানান্তর এমনকি নষ্টসহ বিভিন্ন অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করার বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন। পরে, বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র দেখে তদন্ত কমিটির সভাপতি নিজেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, এর আগে জুলেখা খানমের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেন ক্লিনিকের সভাপতিসহ ক্যাচম্যান এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন।
জানতে চাইলে কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ও তদন্ত দলের সভাপতি ডা: মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষে সিএইচসিপি জুলেখা খানমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
অপরদিকে অভিযোগের বিষয়ে সিএইচসিপি জুলেখা খানমের সাথে যোগাযোগ করা হলে, পারিবারিক জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় কুচক্রি মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রাণি করছে। এ চক্রটি ইতিপূর্বে তাকে চাকুরীচ্যুত করারও হুমকি দেয় বলে তিনি দাবী করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।