মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

কেনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলায় ৭০ জন নিহত

শেয়ার করুন

হামলায় আহত এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। ছবি: এএফপি।কেনিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আল শাবাব জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক খবরে এ তথ্য জানা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ১৯৯৮ সালে দেশটিতে আমেরিকান দূতাবাসে হামলার পর এটি সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
আজ ভোর হওয়ার আগে মুখোধারী বন্দুকধারীরা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এ হামলা চালায়। ঘুমন্ত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার আগে গ্রেনেড ছুড়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক উড়িয়ে দেয় তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয়টি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গারিশা শহরে অবস্থিত।
কেনিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ইতিমধ্যে জঙ্গিদের দখলে থাকা একটি ভবনে অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এতে চার জঙ্গি নিহত হয়েছে। জঙ্গিরা ১২ ঘণ্টা ধরে ভবনটি দখল করে রেখেছিল। তবে সেখানে মোট কতজন জঙ্গি ছিল, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমরা বেশ কিছু মানুষকে হারিয়েছি। আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত নই, তবে এ ঘটনায় ৭০ জনের কাছাকাছি মারা গেছে। ৭৯ জন আহত হয়েছে, তাঁদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা গুরুতর।’

আল শাবাব ইতিমধ্যে এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। এর আগে ২০১৩ সালে সেপ্টেম্বরে জঙ্গিগোষ্ঠীটি নাইরোবির একটি মার্কেটে হামলা চালিয়ে ৬৭ জনকে হত্যা করে। ২০১১ সালে কেনিয়ার সেনাবাহিনী দক্ষিণ সোমালিয়ায় আল শাবাব জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। এর পর থেকে প্রায়ই কেনিয়ায় পুলিশ ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করে আসছে গোষ্ঠীটি।

শেয়ার করুন