৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ১৫ আশ্বিন, ১৪২৯ | ৩ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে ১৮ পূজা মণ্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ   ●  পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে প্রকৃতিবান্ধব পর্যটনে রূপ দিতে হবে- এমপি জাফর   ●  সংগঠনকে সুসংহত করতে ইখলাসপূর্ণ তৎপরতা চালিয়ে যেতে হবে   ●  পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজিবুল ইসলামের উদ্যোগে বর্ণিল ‘শারদ সন্ধ্যা’র আয়োজন   ●  মেয়র এলায়েন্স ফর হেলদী সিটি’র নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানকে পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সংবর্ধনা   ●  জেলা পরিষদ নির্বাচনে শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করবে আওয়ামীলীগ   ●  দেড় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ, ক্ষতির দাবি ৫ কোটি টাকার   ●  রুমখাঁ মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য পদে সকলের দোয়া চেয়েছেন ছলিম উল্লাহ বাহাদুর   ●  সাবেক এমপি এড. খালেকুজ্জামান ছিলেন দল মত নির্বিশেষে সকলের কাছে জনপ্রিয় নেতা   ●  বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি দেখতে পায় শেখ হাসিনার মধ্যে- এমপি জাফর

কখনো বাবাকে বলা হয়নি- “তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবা”

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ

আমার বাবা নেই। ২০১৬ সালে বাবা না–ফেরার দেশে চলে গেছেন। ৪ বছর হলো বাবার আদর এবং শাসন কোনোটিই পাইনি। এই অভাববোধ আমার জীবনে রয়েই যাবে।

বাবা শুধু একজন মানুষ নন, স্রেফ একটি সম্পর্কের নাম নয়। বাবার মধ্যে জড়িয়ে আছে বিশালত্বের এক অদ্ভুত মায়াবী প্রকাশ। বাবা নামটা উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেকোনো বয়সী সন্তানের হৃদয়ে শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার এক অনুভব জাগে। বাবার ছায়া শেষ বিকেলের বটগাছের ছায়ার চেয়েও বড়। যিনি তাঁর সন্তানকে জীবনের সব উত্তাপ থেকে সামলে রাখেন।

পৃথিবীতে যাঁর বাবা নেই সে-ই বোঝে বাবার ভালোবাসা তার জন্য কতটা প্রয়োজন। মাঝিবিহীন নৌকা যেমন চালানো যায় না, তেমনি বাবা ছাড়া নিজের জীবনকে সামনে এগিয়ে নেওয়া অনেক কষ্টকর।

বাবার মৃত্যুর পর প্রায় ২০টি বছর অতিক্রম হয়ে গেছে৷ অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। আমার পড়াশোনাও প্রায় শেষের পথে। বাবা যদি জানতেন তাঁর ছেলের পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে তিনি কতই–না খুশি হতেন! হয়তো খুশিতে আমাকে একবার জড়িয়ে ধরতে চাইতেন! যদিও এটা কখনো সম্ভব হবে না।

কখনো বাবাকে বলা হয়নি, তোমাকে অনেক ভালোবাসি, বাবা। এখনো ঘুমের মধ্যে বাবাকে স্বপ্নে দেখি। আশপাশের সবকিছুতেই যেন বাবার অস্তিত্ব খুঁজে পাই। মনে হয় বাবা আমার সঙ্গেই আছেন। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি তিনি যেন ওপারে আমার বাবাকে ভালো রাখেন।

বরাবরই বলে এসেছি বাবা একটি চরিত্র মাত্র। সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন মানুষ এই চরিত্রে অভিনয় করে যান। বাবা এমন একজন মানুষ, যিনি তার সর্বস্ব দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন। ভালোবাসা, নির্ভরতা আর দায়িত্ববোধের বেড়াজালে যে মানুষটা আপনাকে আমাকে বড় করেছেন তিনিই আসলে বাবা। মা একজনই হন- যিনি জন্ম দিয়েছেন। সেই জায়গায় তুলনা করা সম্ভব নয়। কিন্তু বাবা অনেকজন হয় বা হতে পারেন।

ভালোবাসি বাবাকে। আজ বাবা দিবস উপলক্ষে পৃথিবীর সব বাবাকেই জানাই অন্তরের অন্তস্তল থেকে শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

লেখক,
শাহীন মাহমুদ রাসেল,
সাংবাদিক।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।