১৯ মে, ২০২২ | ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ | ১৭ শাওয়াল, ১৪৪৩


শিরোনাম
  ●  সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে সকল ধর্মের প্রতি সকলকে শ্রদ্ধাশীল হতে হবে- এমপি কমল   ●  আ’লীগে ঘাপটি মেরে থাকা খন্দকার মোস্তাকের বংশধরদের বিতাড়িত করার আহবান : মেয়র মুজিব   ●  নিজ গুলিতে প্রাণ গেলো বনকর্মীর   ●  কক্সবাজারে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়   ●  রামুতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট উপজেলা চ্যাম্পিয়ন ফতেখাঁরকুল   ●  গরীবের বন্ধু মনুর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ অটো রিক্সা শ্রমিকদের   ●  রামু প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠিত; নীতিশ বড়ুয়া সভাপতি, সোয়েব সাঈদ সাধারণ সম্পাদক   ●  রামুতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী দিনে খুনিয়াপালং, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, রাজারকুল জয়ী   ●  হলদিয়াপালংয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন কাউন্সিল সম্পন্ন   ●  উখিয়ার লোকালয়ে একজোড়া বন্যহাতি; কয়েক ঘন্টার প্রচেষ্টায় ফিরলো বনে

কখনো বাবাকে বলা হয়নি- “তোমাকে অনেক ভালোবাসি বাবা”

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ

আমার বাবা নেই। ২০১৬ সালে বাবা না–ফেরার দেশে চলে গেছেন। ৪ বছর হলো বাবার আদর এবং শাসন কোনোটিই পাইনি। এই অভাববোধ আমার জীবনে রয়েই যাবে।

বাবা শুধু একজন মানুষ নন, স্রেফ একটি সম্পর্কের নাম নয়। বাবার মধ্যে জড়িয়ে আছে বিশালত্বের এক অদ্ভুত মায়াবী প্রকাশ। বাবা নামটা উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেকোনো বয়সী সন্তানের হৃদয়ে শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার এক অনুভব জাগে। বাবার ছায়া শেষ বিকেলের বটগাছের ছায়ার চেয়েও বড়। যিনি তাঁর সন্তানকে জীবনের সব উত্তাপ থেকে সামলে রাখেন।

পৃথিবীতে যাঁর বাবা নেই সে-ই বোঝে বাবার ভালোবাসা তার জন্য কতটা প্রয়োজন। মাঝিবিহীন নৌকা যেমন চালানো যায় না, তেমনি বাবা ছাড়া নিজের জীবনকে সামনে এগিয়ে নেওয়া অনেক কষ্টকর।

বাবার মৃত্যুর পর প্রায় ২০টি বছর অতিক্রম হয়ে গেছে৷ অনেক কিছুই পাল্টে গেছে। আমার পড়াশোনাও প্রায় শেষের পথে। বাবা যদি জানতেন তাঁর ছেলের পড়াশোনা প্রায় শেষের পথে তিনি কতই–না খুশি হতেন! হয়তো খুশিতে আমাকে একবার জড়িয়ে ধরতে চাইতেন! যদিও এটা কখনো সম্ভব হবে না।

কখনো বাবাকে বলা হয়নি, তোমাকে অনেক ভালোবাসি, বাবা। এখনো ঘুমের মধ্যে বাবাকে স্বপ্নে দেখি। আশপাশের সবকিছুতেই যেন বাবার অস্তিত্ব খুঁজে পাই। মনে হয় বাবা আমার সঙ্গেই আছেন। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি তিনি যেন ওপারে আমার বাবাকে ভালো রাখেন।

বরাবরই বলে এসেছি বাবা একটি চরিত্র মাত্র। সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন মানুষ এই চরিত্রে অভিনয় করে যান। বাবা এমন একজন মানুষ, যিনি তার সর্বস্ব দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন। ভালোবাসা, নির্ভরতা আর দায়িত্ববোধের বেড়াজালে যে মানুষটা আপনাকে আমাকে বড় করেছেন তিনিই আসলে বাবা। মা একজনই হন- যিনি জন্ম দিয়েছেন। সেই জায়গায় তুলনা করা সম্ভব নয়। কিন্তু বাবা অনেকজন হয় বা হতে পারেন।

ভালোবাসি বাবাকে। আজ বাবা দিবস উপলক্ষে পৃথিবীর সব বাবাকেই জানাই অন্তরের অন্তস্তল থেকে শ্রদ্ধা, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

লেখক,
শাহীন মাহমুদ রাসেল,
সাংবাদিক।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।