১৮ জুলাই, ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ, ১৪৩১ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৬


শিরোনাম
  ●  কলেজছাত্র মুরাদ হত্যা মামলার আসামি রহিম কারাগারে   ●  আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির প্রতিবাদে কক্সবাজার ছাত্রলীগের সমাবেশ   ●  স্বেচ্ছাসেবী কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান    ●  চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত হলেন রোবায়েত   ●  সেন্টমার্টিনে ২ বিজিপি সদস্যসহ ৩৩ রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার   ●  উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২   ●  উখিয়ায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি; কাঁচা ঘরবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক লন্ডভন্ড   ●  উখিয়ায় কৃষি বিভাগের প্রণোদনা পেলেন ১৮০০ কৃষক /কৃষাণী   ●  আরসার জোন ও কিলিংগ্রুপ কমান্ডার আটক ৩   ●  পটিয়া প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠিত

কক্সবাজার কারাগারের সম্প্রসারণের উদ্যোগ

কক্সবাজার জেলা কারাগারে গত ১৯ জুন ৪ হাজার ১৩৪ জন পুরুষ ও ২৫০ নারী মিলিয়ে সর্বমোট বন্দিসংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩৮৪ জন। যা ধারণক্ষমতার প্রায় ৯ গুণ। এ পরিস্থিতিতে নির্মাণের দেড় যুগের ব্যবধানে আবারও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এ কারাগারের।

কারা অভ্যন্তরে ৬ তলা নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি বাইরে অধিগ্রহণের আওতায় আনা হচ্ছে আরো ৭ দশমিক শূন্য ৬ একর জমি। এ জমির মাঝে ২ দশমিক ৫৪ একর খাস ও ৪ দশমিক ৫২ একর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি রয়েছে। ২০০১ সালে শহরতলির কলাতলী বাইপাসে উদ্বোধন হওয়া জেলা কারাগারের জমির বর্তমান পরিমাণ ১২ দশমিক ৮৬ একর। যার মধ্যে কারাগারের অভ্যন্তরে ৮ একর ৯ শতক ও বাইরের জমির পরিমাণ ৪ একর ৭৭ শতক।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মো. বজলুর রশিদ আখন্দ বলেন, বিগত একযুগের সমীকরণে দেখেছি কারাগারটি শুরুর পর থেকে ২ হাজার ৫০০ জনের নিচে কখনো আসেনি। এটি দিন দিন বাড়তে থাকায় কারাভ্যন্তরে নতুন ৬ তলা ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। ১২ কক্ষ বিশিষ্ট এ ভবনের ধারণ ক্ষমতা ২০০ জন। প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এ ভবনটির কাজ চলতি বছরের শেষদিকে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে, নতুন ভবন হলেও চলমান বন্দিদের ভোগান্তি কমবে না।

জেল সুপার বলেন, ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব কক্সবাজার কারাগার পরিদর্শন করেন। এসময় বন্দিদের গাদাগাদি করে অবস্থান এবং বাড়তি কারা রক্ষীদের আবাসন সমস্যার বিষয়টি নজরে এলে তিনি কারাগারের পরিধি বাড়ানোর পরামর্শ দেন। সেই মোতাবেক কারাগারের বাইরে কারা সম্প্রসারণের জন্য আশপাশের আরো ৭ দশমিক শূন্য ৬ একর জমি বন্দোবস্ত ও অধিগ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। জমিগুলো বন্দোবস্ত ও অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন করে দিতে ২০১৮ সালের ১০ জুন মাঝামাঝি সময়ে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সেই আবেদন পাস হয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে এসেছে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, কারাগারের সম্প্রসারণের প্রস্তাবনা নিয়ে আমরা ক্রমে এগোচ্ছি। সময়মতো সকল বিষয় সম্পন্ন হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।