২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১৯ মাঘ, ১৪২৯ | ১০ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানোন্নয়নে কক্সবাজার পৌর এলাকায় চলছে দরিদ্রবান্ধব নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কাজ   ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ

কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ

কক্সবাজারে রোপণ করা হবে ৩০ লাখ চারা

জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ।

কক্সবাজার শহর থেকে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ পর্যন্ত এক হাজার ১৮৩ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে। বর্তমানে চারাগুলোর উৎপাদন কাজ চলছে। রোপণ করা হবে মে মাসে।

কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল আওয়াল সরকার জানান, সদর উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, রামু উপজেলায় ৩৬০ হেক্টর, উখিয়া উপজেলায় ৩৩৩ হেক্টর ও সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ৩৯৫ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে।

প্রতি হেক্টরে আড়াই হাজার চারা রোপণ করা হবে। বর্তমানে জেলার ২৫টি নার্সারিতে বিভিন্ন জাতের ৩০ লক্ষাধিক চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। চারা উৎপাদন, রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ সরকার, বিসিসিআরএফ ও বিশ্বব্যাংক জোগান দেবে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বলেন, মিয়ানমারের চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের কয়েক হাজার একর সংরক্ষিত পাহাড় দখল করে একাধিক বস্তি তৈরি করেছে। জীবন-জীবিকার জন্য রোহিঙ্গারা বনের গাছ কেটে সাবাড় করছে। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ন্যাড়া পাহাড়গুলোয় সবুজ বনাঞ্চল সৃষ্টি জরুরি বলেও মুজিবুল হক মন্তব্য করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।