২০ এপ্রিল, ২০২৪ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩১ | ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুলের বরণ ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী মনতোষের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   ●  জলকেলি উৎসবের বিভিন্ন প্যান্ডেল পরিদর্শনে মেয়র মাহাবুব   ●  উখিয়া সার্কেল অফিস পরিদর্শন করলেন ডিআইজি নুরেআলম মিনা   ●  ‘বনকর্মীদের শোকের মাঝেও স্বস্তি, হত্যার ‘পরিকল্পনাকারি কামালসহ গ্রেপ্তার আরও ২   ●  উখিয়া নাগরিক পরিষদ এর ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে

কক্সবাজারে সাংবাদিকতার পেশাগত মানোন্নয়নে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

প্রেস কাউন্সিল আইন ও আচরণবিধ, সাংবাদিকতার পেশাগত মানোন্নয়নে প্রচলিত আইনের যথাযথ ব্যবহার এবং তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ সম্পর্কে অবহিত করতে কক্সবাজার জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিম।
তিনি বলেন, “অপ-সাংবাদিকতা রোধে ভেদাভেদ ভুলে পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে সহায়ক পরিবেশ তৈরী করতে কাজ করছে প্রেস কাউন্সিল। পেশাদার সাংবাদিকদের প্রেস কাউন্সিলের ২৫টি আচরণবিধি ও নীতিমালা মানতে হবে।”
এর আগে দিনব্যাপী কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।
এতে অন্যান্যদের মধ্যে প্রেস কাউন্সিলের সচিব ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম, প্রেস কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট জেট আই খান পান্না, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাসিম আহমেদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজিবুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজার ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আহসান সুমনের পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া কর্মশালায় কক্সবাজার জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম আরও বলেন, যে কেউ চাইলে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দেওয়ার বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করার নিয়মাবলি কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোনো সংবাদপত্র, কর্মরত সাংবাদিক বা সংবাদ সংস্থার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে মামলা দায়ের করতে হলে নিম্নবর্ণিত নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে: প্রেস কাউন্সিল রেগুলেশনের নিম্নবর্ণিত বিধি অনুযায়ী যেকোনো সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, সম্পাদক অথবা কর্মরত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাদা কাগজে চেয়ারম্যান, প্রেস কাউন্সিলকে সম্বোধন করে অভিযোগ দায়ের করা যাবে: যে সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, সম্পাদক অথবা কর্মরত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে তার বা তাদের নাম ও ঠিকানা দিতে হবে। অভিযুক্ত সংবাদ বা নিবন্ধ বা সম্পাদকীয় বা প্রতিবেদনের মূল পেপার এবং অভিযোগের সমর্থনে যথাসম্ভব সংশ্লিষ্ট দলিলপত্র দিতে হবে।
অভিযুক্ত সংবাদ প্রভৃতি কীভাবে আপত্তিজনক বলে ফরিয়াদি বিবেচনা করেন তার বর্ণনা দিতে
হবে। ফরিয়াদির বিবেচনার প্রকাশিত আপত্তিজনক খবর প্রভৃতি সম্পর্কে সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা
সম্পাদক এবং কর্মরত সংবাদিককে কোনো প্রতিবাদ পাঠানো হয়েছে কি না, সেই প্রতিবাদ
প্রকাশিত হয়েছে কি না, তা দরখাস্তে লিখতে হবে।
অভিযোগ দায়ের করার সময় আবেদনপত্রের পাদটীকায় নিম্নলিখিত ঘোষণা থাকতে হবে:
(১) ফরিয়াদি তার জানা এবং বিশ্বাস মতে কাউন্সিল সমীপে সংশ্লিষ্ট সর্বপ্রকার সত্য ঘটনা পেশ
করেছেন এবং অভিযোগে বর্ণিত কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালতে কোনো প্রকার মামলা চালু নেই।
(২) কাউন্সিলে তদন্ত চলাকালীন অভিযোগের কোনো বিষয়ে অন্য কোনো আদালতের বিষয়বস্তুতে পরিণত হলে কালক্ষেপণ না করে ফরিয়াদি তা কাউন্সিলকে অবহিত করবেন। কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করার সময় ফরিয়াদিকে বিবাদীর সমসংখ্যক অভিযোগপত্রের অতিরিক্ত অনুলিপি দিতে হবে।
প্রেস কাউন্সিল একটি আধাবিচারিক (কোয়াছি জুডিশিয়াল) প্রতিষ্ঠান। অন্য কাউকে সম্বোধন করে লিখিত আবেদনপত্র/চিঠি অভিযোগ ইত্যাদির অনুলিপি কাউন্সিলের বিজ্ঞ চেয়ারম্যান সমীপে প্রেরণ করে প্রেস কাউন্সিলে মামলা দায়ের করা যায় না।
অতিরিক্ত তথ্য জানার জন্য প্রয়োজনবোধে অফিস চলাকালীন সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন
করা যেতে পারে অথবা লগ ইন করুন। www.presscouncil.gov.bd
মামলা দায়ের করার পর কাউন্সিল কর্তৃক ফরিয়াদির আর্জির অনুলিপি সংযুক্ত করে প্রতিপক্ষকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য নোটিশ করা হয়। প্রতিপক্ষের জবাব পাওয়ার পর ফরিয়াদির নিকট প্রতিউত্তর চাওয়া হয়।
দু’পক্ষের জবাব পাওয়ার পর জুডিশিয়াল কমিটি কর্তৃক শুনানি করে রায় প্রদান করা হয়। পরে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।