২৩ মে, ২০২৪ | ৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ১৪ জিলকদ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলিসহ আরসা সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার    ●  নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার প্রথম নির্বাচনে সহিংসতায় যুবক খুন; বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ    ●  এভারকেয়ার হসপিটালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন এখন কক্সবাজারে   ●  কালেক্টরেট চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল হক, সম্পাদক নাজমুল   ●  ক্যাম্পের বাইরে সেমিনারে অংশ নিয়ে আটক ৩২ রোহিঙ্গা   ●  চেয়ারম্যান প্রার্থী সামসুল আলমের অভিযোগ;  ‘আমার কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে’   ●  নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সবকিছু কঠোর থাকবে, অনিয়ম হলেই ৯৯৯ অভিযোগ করা যাবে   ●  উখিয়া -টেকনাফে শাসরুদ্ধকর অভিযানঃ  জি থ্রি রাইফেল, শুটারগান ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৫   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হেড মাঝিকে  তুলে নিয়ে   গুলি করে হত্যা   ●  যুগান্তর কক্সবাজার প্রতিনিধি জসিমের পিতৃবিয়োগ

কক্সবাজারে জনপ্রতিনিধির সহায়তায় ভোটার হচ্ছে রোহিঙ্গারা, আবেদন ফরম জব্দ

বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে চলমান ভোটার হালনাগাদ কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় রোহিঙ্গারা ভোটার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজের নাম, পিতা-মাতা, এমনকি ঠিকানা পাল্টিয়ে রোহিঙ্গারা কৌশলে ঢুকে পড়ছে বাংলাদেশের ভোটার তালিকায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে কাজটি সারতে তারা।
যেখানে প্রকৃত বাংলাদেশী জনগণ ভোটার হতে হিমশিম খাচ্ছে; প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে ভোগান্তি পোহায় দিনের পর দিন, সেখানে রোহিঙ্গারা কিভাবে ভোটার হচ্ছে? তা ভাবিয়ে তুলেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রশ্রয় ও ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে।
এদিকে, মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুরে কক্সবাজার সদর নির্বাচন অফিসে ভোটার তালিকাভুক্তির ছবি তুলতে গিয়েই আবদুল মানিক নামক একজন রোহিঙ্গার আবেদন ফরম (নং- ১১০১৫৫০৮৬, ভোটার এলাকা- ১০৮৭) জব্দ করেছেন সদর নির্বাচন অফিসার শিমুল শর্মা। যদিওবা সে নূর হোসেন নামে ফরমটি সে পূরণ করেছে।
তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে ফরমটি জব্দ করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে, জনপ্রতিনিধিসহ প্রয়োজনীয় সবার স্বাক্ষর ও এতগুলো কাগজপত্র কিভাবে জোগাড় করল, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এই নির্বাচন কর্মকর্তা।
অভিযুক্ত মানিক কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ৬ নং ওয়ার্ডের ভিলেজার পাড়ার বাসিন্দা মরহুম শামসুল আলমের ছেলে। পেশায়  সিএনজি চালক। তার পরিবারের পাঁচ ভাই ১ বোনের সবাই রোহিঙ্গা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিন বলেন, স্মার্ট কার্ড বা আইডি কার্ডসহ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ছাড়া আমরা কাউকে তো স্বাক্ষর করিনা। রোহিঙ্গাদের ভোটার হতে সহায়তা করার প্রশ্নই আসে না। কেউ জালিয়াতি করে থাকলে শাস্তি হওয়া দরকার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।