মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের যৌথ অভিযানে উখিয়ায় দুই স’মিল উচ্ছেদ

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদক:

উখিয়ায় রাজাপালং এম ইউ ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা ও রাজাপালং বালিকা দাখিল মাদ্রাসা এবং রাজাপালং সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের লাগোয়া ২টি অবৈধ স’মিল উচ্ছেদ করে উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ।
বুধবার (১৩ এপ্রিল) বিকালে উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তাজ উদ্দিন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া রেঞ্জ অফিসার গাজী শফিউল আলম, ওয়ালাপালং বিট কর্মকর্তা ও থাইংখালি বিট কর্মকর্তা রাকিব হোসাইন রাজু সহ অন‍্যান‍্য স্টাফ ও পুলিশ সদস্য৷

উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলম বলেন, রাজাপালং মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ২টি সমিল উচ্ছেদ করা হয়েছে৷

এদিকে অনুসন্ধানে জানা যায় অবৈধ স’মিল গুলো জাফর আলমের পুত্র মোঃ মিজান ওরফে শেখ মিজান, আলী আকবরের পুত্র কাশেম মিস্ত্রি, দিলু হোসেনের পুত্র মোঃ সৈয়দ, মোর্শেদ, শীর্ষ মাদক কারবারি কবির আহমদ, বাবুল, সুলতান ওরফে মিডা সুলতানের নেতৃত্বাধীন ১৪ জনের বিশাল একটি সিন্ডিকেট।

উখিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাজ উদ্দিন বলেন, রাজাপালং মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ সমিল বসিয়ে চোরাই কাঠ চিরাই করে আসছিল দীর্ঘদিন থেকে। যার প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ২টি সমিল উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ সমিলের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে তিনি জানান।

শেয়ার করুন