২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১৮ পৌষ, ১৪৩২ | ১২ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র   ●  রামুর ধোয়াপালংয়ে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী অপহরণ : ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল লুট   ●  খুনিয়াপালংয়ে বিএনপি সভাপতির সহযোগিতায় শতবর্ষী কবরস্থান দখলের পাঁয়তারা   ●  কক্সবাজার শত্রুমুক্ত দিবস ১২ ডিসেম্বর

উখিয়া-টেকনাফে উদ্বেগজনক হারে রোহিঙ্গা বাড়ছে

images

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট উদ্বেগজনক হারে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে গত কয়েক মাসে উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা নাগরিক এদেশে অনুপ্রবেশ করেছেন। এরা পরবর্তীত সময়ে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যদের আরো বেশি কঠোর নজরদারী বাড়ানোর দাবী করেছেন এখানকার সচেতন মহল। এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মূল হোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে। কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফ ও পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসছে অসংখ্য রোহিঙ্গা। বিগত ২০১৪ সালে এসব সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে প্রায় ৫ হাজার ৫শ ২১ জন রোহিঙ্গা নাগরিক এদেশে অনুপ্রবেশ করেন। পরে বিজিবির সদস্যরা মানবিক সহায়তা দিয়ে স্বদেশে ফেরত পাঠান। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বিজিবি সদস্যরা ২ হাজার ৪শ ৬২ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে স্বদেশে ফেরত পাঠান। সম্প্রতি মিয়ানমারের বিভিন্ন প্রদেশে সামরিক জান্তার অত্যচারে মুসলিম নাগরিকরা বিজিবি চোখ ফাঁকি দিয়ে এ দেশে প্রবেশ করছে। এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাবশালী জন প্রতিনিধিদের ছত্রছায়ায় এসব রোহিঙ্গাদের আগমন ঘটছে। দেশের অস্থিরতার সুযোগে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেটাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। শীঘ্রই রোহিঙ্গা প্রতিরোধের পাশা-পাশি স্থানীয় দালালদের ধরতে সাড়শি অভিযান পরিচালনা করবেন বলে বিজিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সরজমিনে উখিয়ার সীমান্তবর্তী বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালীর আনজুমানপাড়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তুমব্রু, বাইশপারী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য রোহিঙ্গা নাগরিক এদেশে অনুপ্রবেশ করছে। বিজিবির সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করছে। রোহিঙ্গা নাগরিকরা প্রথমে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে সীমান্তবর্তী বাড়ি গুলোতে আশ্রয় নেয়। পরে বিজিবির গতিবিধি দেখেই অন্যত্রে  তারা চলে যান। সম্প্রতি উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবির সংলগ্ন রোহিঙ্গা বস্তিতে কয়েক শতাধিক লোক মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। কক্সবাজারস্থ বিজিবির সেক্টর কমান্ডার খালেকুজ্জামান বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং স্থানীয় দালালদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে বিজিবি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।