মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

উখিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ

শেয়ার করুন

মঙ্গলবার মধ্য রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তান্ডবে কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ঘর-বাড়ি, পানের বরজ, বোরো পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। থেমে থেমে হালকা ঝড়ো হাওয়া-বৃষ্টিতে আম, লিচু, তরমুজ, ভাঙ্গি সহ মৌসুমী ফল-ফলাদি নষ্ট হয়ে কৃষকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বসত বাড়ির ছাউনী উড়ে যাওয়ার ফলে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিনযাপন করতে দেখা গেছে।
গতকাল বুধবার সকালে ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা ঘুরে স্থানীয় গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ক্ষনিকের জন্য ধেয়ে আসা ঘুর্ণিঝড় উখিয়ার রাজাপালং, জালিয়াপালং ও পালংখালী ইউনিয়নের ফারির বিল আলিম মাদ্রাসার একটি সেমিপাকা ভবনের কিছু অংশের ছাউনী উড়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানিতে ক্লাস রুম কাঁদাময় হয়ে উঠে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি এম.এ মনজুর জানান, মাদ্রাসার ছাউনী উড়ে যাওয়ার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা-পড়া ব্যহত হচ্ছে। মাদ্রাসার পার্শ্বস্থ ক্ষতিগ্রস্থ বসত বাড়ি ঘুরে ক্ষতিগ্রস্থ আবদুল গফুর (৪৫) জানান, গত ২ মাস যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তাকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে হচ্ছে। এমতাবস্থায়, মঙ্গলবার মধ্য রাতে বয়ে যাওয়া ঘুর্ণিঝড়ে তার বসত বাড়ির ছাউনী উড়ে যাওয়ায় তাকে ছেলেমেয়ে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন যাপন করতে হচ্ছে।
এদিকে গতকাল সরজমিনে পালংখালী ফারিরবিল আলিম মাদ্রাসা পরিদর্শনকালে স্থানীয় অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণ মাদ্রাসার এ দুর্যোগকালে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জমির উদ্দিনের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে মাওলানা জমির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। জালিয়াপালং ও রাজাপালং ইউনিয়নের বেশ কিছু স্থানে কালবৈশাখী ছোবলে বেশ কিছু কাঁচা ঘর-বাড়ি চালা উপড়ে গেছে। গাছ-পালা ভেঙ্গে গেছে। পাঁকা বেরো ধানের ক্ষেতের অনেকটা ক্ষতি হয়েছে, পানের বরজ সহ মৌসূমী ফল-ফলাদির ক্ষতি হয়েছে। পালংখালী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ফজলুল কাদের ভুট্টো ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সত্যতা স্বীকার করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিলে¬াল বিশ্বাস বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়টি তার জানা নেই।

শেয়ার করুন