২২ মে, ২০২৪ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ | ১৩ জিলকদ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার প্রথম নির্বাচনে সহিংসতায় যুবক খুন; বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ    ●  এভারকেয়ার হসপিটালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন এখন কক্সবাজারে   ●  কালেক্টরেট চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল হক, সম্পাদক নাজমুল   ●  ক্যাম্পের বাইরে সেমিনারে অংশ নিয়ে আটক ৩২ রোহিঙ্গা   ●  চেয়ারম্যান প্রার্থী সামসুল আলমের অভিযোগ;  ‘আমার কর্মীদের হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে’   ●  নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সবকিছু কঠোর থাকবে, অনিয়ম হলেই ৯৯৯ অভিযোগ করা যাবে   ●  উখিয়া -টেকনাফে শাসরুদ্ধকর অভিযানঃ  জি থ্রি রাইফেল, শুটারগান ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৫   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হেড মাঝিকে  তুলে নিয়ে   গুলি করে হত্যা   ●  যুগান্তর কক্সবাজার প্রতিনিধি জসিমের পিতৃবিয়োগ   ●  জোয়ারিয়ানালায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আহত রামু কলেজের অফিস সহায়ক

উখিয়ায় টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযান শুরু

কক্সবাজারের উখিয়ায় মাদক প্রতিরোধে এবার যৌথ টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার মাদক ও ইয়াবা চোরাচালানীদের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান শুরু করেছেন। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছেন ঘিলাতলী গ্রামের কুখ্যাত মাদক সম্রাট মুবিন ওরফে লালু মাস্তানের মাদকের আস্তানায়। এসময় অভিযানে নেতৃত্ব দেন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ সার্কেলের পরিদর্শক মোঃ ইব্রাহীম খান সহ উখিয়া থানার চৌকস পুলিশ সদস্যদের একটি দল। মুবিনের মাদকের আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ তার স্ত্রী জোৎন্সা আক্তার অপর ২ মাদক সেবী মালভিটা গ্রামের ফজল করিমের ছেলে সরওয়ার আলম ও কক্সবাজারের রুমালিয়ারছড়ার ছৈয়দুল করিমকে আটক করে। পরে আটককৃতদের উখিয়া উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও ইউএনও হিল্লোল বিশ্বাসের আদালতে হাজির করা হলে আদালত জোৎন্সা আক্তারকে ১৫ দিন ও ২ মাদক সেবীকে ১০ দিন করে সাজা প্রদান করেন। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন পত্রিকা ও ঢাকার জনপ্রিয় কয়েকটি দৈনিকে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ার ঘটনায় তথ্য বহুল ও বন্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশিত হলে মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের টনক নড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় উখিয়া উপজেলা ব্যাপী মাদক দ্রব্য অধিদপ্তর ও পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হওয়ায় উপজেলাবাসী কিছুটা আশান্বিত হলেও সিকদার বিল গ্রামের মাদক সম্রাট সিরাজ ও মুবিন ওরফে লালু মাস্তান পুলিশের হাতে আটক না হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, চুনোপুটিদের গ্রেপ্তার করে লাভ কি? মূল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। উখিয়ার থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের কোন আপোষ নেই। সে যে হোক না কেন পুলিশ তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।