১৯ এপ্রিল, ২০২৪ | ৬ বৈশাখ, ১৪৩১ | ৯ শাওয়াল, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুলের বরণ ও উপ-সহকারি প্রকৌশলী মনতোষের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত   ●  জলকেলি উৎসবের বিভিন্ন প্যান্ডেল পরিদর্শনে মেয়র মাহাবুব   ●  উখিয়া সার্কেল অফিস পরিদর্শন করলেন ডিআইজি নুরেআলম মিনা   ●  ‘বনকর্মীদের শোকের মাঝেও স্বস্তি, হত্যার ‘পরিকল্পনাকারি কামালসহ গ্রেপ্তার আরও ২   ●  উখিয়া নাগরিক পরিষদ এর ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত   ●  আদালতে ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার দায়স্বীকার সেই ডাম্পার চালক বাপ্পির   ●  ‘অভিযানে ক্ষুব্ধ, ফরেস্টার সাজ্জাদকে পূর্বপরিকল্পনায় হত্যা করা হয়’   ●  ফাঁসিয়াখালীতে পৃথক অভিযানে জবর দখল উচ্ছেদ, বালিবাহী ডাম্পার জব্দ   ●  অসহায়দের পাশে ‘রাবেয়া আলী ফাউন্ডেশন’   ●  ফরেস্টার সাজ্জাদ হত্যার মূল ঘাতক সেই বাপ্পী পুলিশের জালে

ঈদগড় ঘিলাতলীতে রোহিঙ্গাদের বসবাস দিন দিন বাড়ছে

barmaya
কক্সবাজার রামুর ঈদগড় ঘিলাতলী এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসবাস দিন দিন ব্যাপক হারে বাড়ছে। প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, পুরো ঈদগড় এলাকায় রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঘটলেও ঘিলাতলী এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছে বেশী। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রিজার্ভ বনভূমি দখল পূর্বক বসতি গড়ে তুলছে রোহিঙ্গারা। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোন মাথা ব্যাথা। ফলে একদিকে বাড়ছে ঈদগড়ের জনসংখ্যা অপরদিকে কমছে বনভূমি। শুধু তা নয় এসব রোহিঙ্গারা উল্লেখিত এলাকায় বসবাস পূর্বক এলাকার পরিবেশকে অশান্ত করে তুলছে। চুরি, ডাকাতি, অপহরণ থেকে শুরু করে নানা দাঙ্গা-হাঙ্গামায় অংশ নিচ্ছে এসব রোহিঙ্গারা। সরজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, এসব রোহিঙ্গাদের জন্ম নিয়ন্ত্রনেও নেই কোন প্রকার নিয়ম নীতি। দিনের পর দিন এসব রোহিঙ্গারা মায়ানমার থেকে এসে উল্লেখিত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ায় এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। বর্তমানে স্থানীয় জনসাধারণ আতংকে রয়েছে। কখন না কখন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যায়। সম্প্রতি অনুপ্রবেশ ব্যাপক হারে বাড়লেও পুলিশ প্রশাসনের নেই কোন অভিযান। কোন অভিযান না থাকায় এসব রোহিঙ্গারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এলাকার শ্রম বাজার থেকে শুরু করে সর্বস্তরে রয়েছে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের অবাধ বিচরণ। জানা যায়, এসব রোহিঙ্গারা কৌশলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে ম্যানেজ করে পর্যায়ক্রমে ভোটার তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হয়ে যায়। অপরদিকে স্থানীয় জনসাধারণের জান মালের উপর নানা অঘটন ঘটায়। ইতিপূর্বে রোহিঙ্গারা এলাকার অনেককেই হত্যা করে। এর পরও দিন দিন ঘিলাতলী এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসবাস বাড়তে থাকায় স্থানীয় জনসাধারণ আইনশৃংখলা বাহিনীর তথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ঘিলাতলী এলাকা ঈদগড়ের সীমানার একেবারে উত্তরে হওয়ায় রোহিঙ্গারা বসবাসের জন্য নিরাপদ হয়ে উঠছে। ঈদগড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সদস্য মোজাফ্ফর আহমদ জানান, ঈদগড়ের ঘিলাতলীতে দীর্ঘদিন যাবত রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ বাড়ছে এবং পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতায় বসবাস গড়ে তুলছে। এ ব্যাপারে ঈদগড়ে দায়িত্বরত রামু থানা এএসআই এস এম রাশেদুল ইসলাম জানান, এসব রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে শিগ্রই অভিযান পরিচালিত হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।