২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ১৯ মাঘ, ১৪২৯ | ১০ রজব, ১৪৪৪


শিরোনাম
  ●  প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানোন্নয়নে কক্সবাজার পৌর এলাকায় চলছে দরিদ্রবান্ধব নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কাজ   ●  পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ, জরিমানা   ●  বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্ব শ্রেষ্ঠ জাতীয়তাবাদের নেতা   ●  হাতের কব্জির রগ কেটে মোবাইল-ল্যাপটপ ছিনতাই   ●  কক্সবাজারে ইয়াবার মামলায় ৮ রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন   ●  লোহাগাড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারকে ‘পেট্রোলের আগুনে’ পুড়িয়ে মারার চেষ্টা!   ●  চকরিয়ার সাহারবিলে সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি জাফর আলম   ●  রাইজিংবিডির বর্ষাসেরা প্রতিবেদক তারেককে আরইউসির শুভেচ্ছা   ●  স্ট্রীটফুড ও ড্রাই ফিস প্রশিক্ষাণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ ও সাপোর্ট প্রদান   ●  রামুতে দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ

ঈদগাঁওতে এ কেমন লোডশেডিং?

লোড়শেডিং
গরম পড়তে না পড়তেই কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে লোডশেডিংয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে। জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও চলতি গরম মৌসুমে সদর উপজেলার গুরুত্ববহ এলাকা বৃহত্তর ঈদগাঁওতে সাম্প্রতিক সময়ে পল্লী বিদ্যূতের লোডশেডিং যেন চোখে পড়ার মত। এমনকি ঘন্টা পর আসে, আবার ৩/৪ মিনিট পর চলে যায়, এহেন বিদ্যুৎ নিয়েই চলে বাজারের ব্যবসায়ী সমাজ। ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারে দৈনিক লাখ লাখ টাকার ব্যবসা বাণিজ্য হলেও এখানকার ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে টেনশনে ভুগছেন দিনের পর দিন। এই লোডশেডিং সমস্যা থেকে কবে মুক্তি পাবে ব্যবসায়ী সহ নানা শ্রেণীর লোকজন। এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে গ্রাহকদের মাঝে। এছাড়া এই মৌসুমেও লোডশেডিং শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরাসহ চলতি এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে কম্পিউটার, ফটোকপি, প্রিন্ট, নানা ব্যবসা বানিজ্য, স-মিল সহ নানা কলকারখানা চালাতে ভোগান্তি চরমে পৌছেছে স্ব স্ব ব্যবসায়ীদের মাঝে। এদিকে বৃহত্তর এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারনে ফ্রিজে রক্ষিত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নান হাসপাতালে ফ্রিজে রাখা দামী দামী ঔষধপত্রাদি নষ্টের পথে বলে একাধিক সূত্রে প্রকাশ। বেশ ক’জন গ্রামাঞ্চলের গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এ প্রতিনিধিকে জানান, বিদ্যুতের ভেল্কিবাজী নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি। এদের থেকে মুক্তি পাওয়ার কোন ব্যবস্থা আছে কি? সে প্রশ্নের উত্তর পবিস কর্তৃপক্ষেরও নেই। এমনকি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে গুরুত্বপূর্ণ মেশিনারী জিনিসপত্র বিদ্যুতের কারণে নানা সমস্যায় সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা যায়। এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন, সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ৬ ইউনিয়নে এই চলতি মৌসুমে বিদ্যুৎ লোডশেডিং সবেমাত্র শুরু হতে চলছে। তারপর ও মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসাবে বিদ্যুৎ বিল নানা কারণে বেড়েছে বলেও একাধিক লোকজনের অভিযোগ। আবার, লক্ষ লক্ষ টাকার পুজি দিয়ে ঈদগাঁও’র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে হিমশিম খাচ্ছে দারুনভাবে লোডশেডিং নিয়ে। অনতিবিলম্বে ঘনঘন লোডশেডিং বন্ধ করার আহবান বিশাল এলাকাবাসীর। উল্লেখ্য যে, ২ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসে, আবার চলে যায়। এ অবস্থায় ছিল। এ ব্যাপারে  পল্লী বিদ্যুৎ ঈদগাঁও অফিসের নির্ধারিত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ও  সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।