২০ জুন, ২০২৪ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩১ | ১৩ জিলহজ, ১৪৪৫


শিরোনাম
  ●  পাহাড় ধ্বসঃ ৮ রোহিঙ্গাসহ নিহত ১০   ●  উখিয়ার ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধ্বসে ৭ রোহিঙ্গা সহ নিহত ৯   ●  রামুতে ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা   ●  উখিয়া-টেকনাফের ৫ শতাধিক তরুন-তরুণীকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ‘সুশীলন’   ●  খাদ্যে ভেজাল রোধে সামাজিক আন্দোলন দরকার : খাদ্যমন্ত্রী   ●  ইজিবাইকের ছাদে তুলে ৮ বছরের শিশু নির্যাতন ভিডিও ভাইরাল: তিন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার   ●  ভবিষ্যতে প্রেস কাউন্সিলের সার্টিফিকেট ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না   ●  একমাসেও অধরা ঘাতক চক্র, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারে হতাশ   ●  সমুদ্রকেই ঘিরে কক্সবাজারের অর্থনীতি   ●  সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান

ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না -পুলিশ সুপার মাসুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

তিনি বলেন, বড় ছোট বলে কথা নয়, কোন ইয়াবা কারবারির রেহাই মিলবে না। ক্রমান্বয়ে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইয়াবায় অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শুক্রবার (৩১মে) বিকালে টেকনাফ উপজেলাধীন বাহারছড়া ইউনিয়নের মাদক নির্মুল ও প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয় উদ্বোধনকালে এবিএম মাসুদ হোসেন কথাগুলো বলেছেন।
তিনি বলেন, সমাজে অনেক মুখোশধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে। সবার মুখোশ খুলে দেয়া হবে। চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে তারা রেহাই পাবেনা। কোনো জনপ্রতিনিধির আশ্রয়ে ঘরের পাশে বা এলাকাতে কোনো মাদক কারবারী থাকলে; মাদক ব্যবসা করলে, সেই জনপ্রতিনিধিদেরও কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসাইন, উখিয়া টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়ান, জেলা ডিএসবি শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম।
পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা,ও স্থানীয় মাদক বিরুধী জনসাধারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, সারা দেশে মাদকের জন্য টেকনাফের একটি বদনাম রয়েছে। সবার সহযোগিতায় এই বদনাম থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। বর্তমান সময়ে টেকনাফে এই মাদক ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তা বুঝা যায় এই বারের এসএসসি পরীক্ষায় টেকনাফের ফলাফল দেখে। কারণ কক্সবাজার শহরে অবস্থিত একটি নরমাল উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা ৭টি। কিন্তু পুরো টেকনাফে এর সংখ্যাও মাত্র ৭টি। এ থেকে উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি মাদক নির্মুল কমিটির সদস্যদের উদ্দশ্যে বলেন, আপনারা মাদক নির্মূলে কাজ করেন। আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেব। মাদকের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি এই কমিটির সাথে যুক্ত থাকতে পারবেনা।
এদিকে, মাদক বিরোধী কমিটির শুরু থেকে কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও পুলিশ সুপারের অনুষ্ঠান স্থলে তাদের দেখা যায়নি।
এই ব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের নিয়ে মাদক নির্মুল ও মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। এখানে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান হবেনা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।