১৯ অক্টোবর, ২০১৯ | ৪ কার্তিক, ১৪২৬ | ১৯ সফর, ১৪৪১


শিরোনাম
  ●  চট্টগ্রামের হকার্স মার্কেটে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৫টি ইউনিট   ●  চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশে বন্ধ হলো জনপ্রিয় গেইমস পাবজি   ●  টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা পাচারকারী নিহত, ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার   ●  লোহাগাড়ায় অস্ত্র,রামদা ও ৯রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক কারবারি নিহত,আহত পুলিশ সুপারসহ ৪   ●  কক্সবাজারের মহেশখালীতে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ   ●  লোহাগাড়ায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীসহ আটক ৩   ●  উখিয়া ফোর মার্ডার : রিপু ও উজ্জ্বল বড়ুয়ার ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর   ●  টেকনাফে পচে যাচ্ছে মিয়ানমারের পেঁয়াজ, কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ   ●  উখিয়ায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম

পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরোর পেটিকা বন্ধন ও মহাসংঘদান বুধবার

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী : রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ ও উপ সংঘরাজ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরোর আগামী বুধবার ৯ আগষ্ট পেটিকাবদ্ধ ও মহাসংঘদান অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় সীমাবিহার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিতব্য এই অনুষ্ঠানে নির্ধারিত হবে কখন তাঁর চুড়ান্ত অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বিষয়টি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ট্রাস্টি এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার সকাল ৯ টায় উক্ত অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পরলোকগত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরের প্রতি ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের কক্সবাজার জেলার নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট দীপংকর বড়ুয়া পিন্টু জানান, পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পর পরই তাঁর শরীরে পচনরোধক ইনজেকশন দেয়া হয়। ফলে অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথেরের মৃতদেহের আকার আকৃতি পরিবর্তন হবেনা এবং পচনও ধরবেনা।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়া জানান, চুড়ান্ত অন্তেষ্টিক্রিয়া রামু সরকারি খিজারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (রামু স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হবে। সেখনে বিভিন্ন দেশ থেকে অতিথি ও আন্তর্জাতিক শীর্ষ ধর্মীয় গুরুরা অংশ নেবেন। তিনি বলেন, পরলোকগত অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথেরেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে জানতেন ও চিনতেন, তাই রাষ্ট্রীয় অতিথি এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ অন্তষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন বলে আশা করছি। এ অনুষ্ঠানটি লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ করার টার্গেট রয়েছে।

প্রয়াত অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথেরোর মরদেহ সকালে চট্টগ্রামের নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে আনা হলে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরোর কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, পৃথিবীর সব জ্ঞানী গুনী ও মনিষীগণ সবসময় নন্দিত ও পুজিত হন। সেরকম পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরোও তাঁর কর্ম জীবনে দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় সৌরভে, গৌরবে সমুজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। তাছাড়া অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথেরের পরলোকগমনে রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ শোকবানী প্রদান করে গভীর শোক প্রকাশ ও সৎগতি কামনা করেন।

শুক্রবার ৪ অক্টোবর বিকেল ৩ টার দিকে অধ্যক্ষ সত্যপ্রিয় মহাথেরোর মরদেহ রামু বাইপাস মোড়ে পৌঁছালে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল সহ শত শত মানুষ তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, ইউএনও প্রণয় চাকমা, রামুর ওসি মো. আবুল খায়ের, ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান, সাবেক রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে এমপি আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল সহ শত শত মানুষ হেঁটে হেঁটে পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরোর মরদেহ তাঁর স্থায়ী নিবাস রামু মেরুংলোয়া কেন্দ্রীয় সীমা বিহারে নিয়ে যান। সেখানে হাজার হাজার পূণার্থী ও শোকাহত মানুষের ভীড় জমে যায়। এছাড়া কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজওয়ান আহমেদ সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রামু সীমা বিহারে গিয়ে প্রয়াত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রসঙ্গত, বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু রামু কেন্দ্রীয় সীমা মহাবিহারের অধ্যক্ষ এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথেরো রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-তে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ৩ আক্টোবর দিবাগত রাত ১ টা ৫০ মিনিটে ৯০ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনী :

বর্নাঢ্য ক্যরিয়ারের অধিকারী সত্যপ্রিয় মহাথেরের প্রকৃত নাম বিধু ভূষণ বড়ুয়া। প্রবীণ এ বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু ২০১৫ সালে সমাজসেবায় একুশে পদক পান। সংসার ত্যাগী সত্যপ্রিয় মহাথেরো ১৯৩০ সালের ১০ জুন কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা প্রয়াত হর কুমার বড়ুয়া ও মাতা প্রেমময়ী বড়ুয়া।

রামু সীমা বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ সত্যপ্রিয় মহাথেরো ১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আরেক বৌদ্ধ মহাপুরূষ বিনয়াচার্য আর্যবংশ মহাথেরর কাছে প্রব্রজ্যা গ্রহণ (গৃহজীবন ত্যাগ) করে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হন। এর ৬ মাস পরই পবিত্র মাঘী পূর্ণিমার দিনে তিনি উপ-সম্পদা (ভিক্ষুত্ব) গ্রহণ করেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সত্যপ্রিয় মহাথের ১৯৫৫ সালে মায়ানমারের ধর্মদূত পালি কলেজে অগ্রমহাপন্ডিত উ. বিশুদ্ধায়ু মহাথের ও প্রজ্ঞালোক মহাথেরোর কাছে পালি ভাষা ও বিনয় শিক্ষা লাভ করেন। এ মহান পূণ্যপুরুষ পৃথিবীর বহু ভাষায় পারদর্শী। বুদ্ধ ধর্মের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ পালি ভাষার মূল ত্রিপিটকের বিভিন্ন অধ্যায় থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেন সত্যপ্রিয় মহাথেরো।
অধ্যক্ষ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ক অনেক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি ত্রিপিটকের অভিধর্ম পিটকের অন্তর্গত ‘চুল্লবর্গ’ গ্রন্থ পালি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। গ্রন্থটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা ও গবেষনায় সহায়ক গ্রন্থ হিসাবে অনন্য ভূমিকা রাখছে। তিনি বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় শীর্ষ গুরু ছিলেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধেও অসাধারণ সাহসী ভূমিকা রাখেন শ্রীমৎ সত্যপ্রিয় মহাথের। যুদ্ধ-চলাকালীন তিনি এলাকার সহস্রাধিক অসহায় ও নির্যাতিন মানুষকে ঐতিহ্যপূর্ণ পুরাতন কাঠের সীমা বিহারে আশ্রয় দেন। এ নিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বাকবিকণ্ডা হয় এ সাহসী বৌদ্ধ ভিক্ষুর।

দেশের সবচেয়ে কলঙ্কময় অধ্যায় ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কক্সবাজারে রামু, উখিয়া, টেকনাফ ও পটিয়ার লাখেরায় ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক হামলার পর গৌতম বুদ্ধের সাম্য-মৈত্রী ও অহিংসার বাণীকে সর্বময় ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে সত্যপ্রিয় মহাথেরের। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনঃস্থাপনসহ বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে অন্যন্য ভূমিকা পালন করছেন তিনি।

একনজরে :
(১)নাম: সত্যপ্রিয় মহাথেরো(২) পিতার নাম: মৃত হরকুমার বড়ুয়া (৩)জন্ম তারিখ: ১০ জুন ১৯৩০ (৪) প্রব্রজ্জার তারিখঃ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫০ সাল (৫) উপসম্পদার তারিখঃ নভেম্বর ১৯৫০ (৬)উপধ্যায়ের নামঃ বিনয়াচার্য আর্যবংশ মহাথেরো (৭) আচারিয়ার নাম অগ্গমহাপন্ডিত প্রজ্ঞালোক মহাথেরো (৮)শিক্ষাগত যোগ্যতা: ত্রিপিটক বিশারদ, ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমার।
(৯)সাহিত্যে ক্রিয়াকলাপ :
(ক) লেখক: বিনয়াচার্য আর্যবংশ (জীবনচর্চা) (খ) অভিধর্ম সংঘ স্বরূপ দীপানী (অভিধর্মের একটি ম্যানুয়াল (গ) ধাতুকথা (ঘ) চুল্লবগ্গ (ঙ) বিভঙ্গ (চ) অঙ্গুত্তর নিকায (ছ) ধম্মসঙ্গিনী (জ) ভিক্ষুনী স্কন্ধ ইত্যাদি (ঝ) নিবন্ধ প্রকাশিতঃ এছাড়া বিভিন্ন সাময়িকী, জার্নাল এবং স্মৃতিচিহ্নগুলিতে ধর্মীয় ও সাহিত্যিক গুরুত্বের অনেক নিবন্ধ রয়েছে।
(১০) ধর্মীয় ও সামাজিক ক্রিয়াকলাপ:
(ক) প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা। (খ) আঞ্চলিক সংঘনায়ক, কক্সবাজার জেলা। (গ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিঃ আর্যবংশ ভিক্ষু সংস্থা, কক্সবাজার। (ঘ) সদস্য: বাংলাদেশ সরকার ত্রিপিটক ট্রান্সলেট বোর্ড। (ঙ) প্রতিষ্ঠাতা: ত্রিপিটক গ্রন্থগার, রামু সীমা বিহার, কক্সবাজার (চ) বিহার অধ্যক্ষঃ রামু সীমা বিহার, রামু। (ছ) প্রধান উপদেষ্টা: বৌদ্ধ উইজডম অ্যাসোসিয়েশন, রামু, কক্সবাজার। (জ) আজীবন সদস্য: আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ
মেডিটেশন সেন্টার, বুদ্ধগয়া, বিহার, ভারত।
(ঝ) আজীবন সদস্য: বেঙ্গল বৌদ্ধ সমিতি,
কলকাতা, ভারত। (ঞ) আজীবন সদস্য: বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ফেডারেশন, ঢাকা। (ট) প্রতিষ্ঠাতা: বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, রামু, কক্সবাজার।
(১১) মিয়ানমারে অধ্যয়ন:
১৯৫৪ সালে শ্রদ্ধেয় সত্যপ্রিয় মহাথের বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়নের জন্য মিয়ানমারে গিয়েছিলেন। তিনি ইয়াঙ্গুনের বিশ্ব শান্তি স্থান (গোভায়েরা)-এর জাম্বুদ্বীপ বিহারে অবস্থান করেছিলেন। তারপরে তাকে ধর্মদূত পালি কলেজে ভর্তি করা হয়। আগ্গামহাপণ্ডিত উ বিষুধ মহাথেরোর অধীনে তিনি বার্মিজ এবং পালি ভাষা অধ্যয়ন করেন। তিনি মহাপন্ডিত পাগলোকা মহাথেরোর অধীনে বিনয় শিক্ষা অধ্যয়ন করেন। তিনি অধ্যক্ষ উ শাসনবিভংশের অধীনে ১০ বছর ইয়াঙ্গুনে অবস্থান করেন। (১২)বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা কর্তৃক ‘পন্ডিত’ উপাধি লাভ। (১৩). অন্যান্যদের মধ্যে তিনি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে ধ্যান কেন্দ্রে বিদর্শন ভাবনাও অনুশীলন করেছিলেন-তাই তিনি বিদর্শন আচার্য। (১৪)মায়ানমার সরকার কর্তৃক
“অগ্গমহাসদ্ধর্মজ্যোতিকাধ্বজ” উপাধি। (১৫) ভ্রমণকৃত দেশ: ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া ইত্যাদি (১৬) উপ-সংঘরাজঃ ২৩ অক্টোবর ২০১৫ (১৭) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক “একুশে পদক” লাভ, ফেব্রুয়ারী ২০১৫ (১৮)শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন: ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা ৫০ মিনিট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (বিএসএমএমইউ) ঢাকা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।